Sikkim: সত্যিই কি বড় কিছু হবে সিকিমে? এবার জারি হল অন্য সতর্কবার্তা, প্রস্তুত হচ্ছে বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর
গতকাল, রাত পৌনে ন'টা নাগাদ ভূমিকম্পে কেঁপেছে সিকিম। আর তার জেরে কম্পন অনুভূত হয় দার্জিলিং,কালিম্পংয়েও। এর আগে ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে সিকিমে ২০ দিনে ৫০ বারের বেশি মৃদু ও মাঝারি কম্পন অনুভূত হয়েছিল।সবচেয়ে জোরালো কম্পনের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৪.৬।

সিকিম: পরপর ভূমিকম্পে কেঁপেছে সিকিম। বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি ঠিকই তবে পঞ্চাশ বার ভূ-কম্পন অবশ্যই চিন্তায় ফেলেছে পরিবেশবিদদের। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে সিকিমে ধারাবাহিক ভূমিকম্পে আতঙ্ক ছড়িয়েছিল। এত ঘনঘন কম্পন বড় কোনও বিপদের ইঙ্গিত বলেই মনে করছিলেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। এমনকী, শনিবারও সিকিমে ভূমিকম্প হয়েছে। এই আবহের মধ্যে এবার নয়া সতর্কবার্তা। পূর্ব সিকিমে তুষারধসের সতর্কবার্তা জারি হয়েছে।
জানা যাচ্ছে, গ্যাংটক ও প্যাকিয়ং জেলার উঁচু অংশে এই সতর্কতা জারি করেছে। এছাড়া নাথুলা,জুলুক,নাথাং ভ্যালি এলাকাতেও হিমবাহ ধসের সতর্কতা জারি হয়েছে। এমনিতেই সিকিমে বেশি রয়েছে হিমালয়ের সব পুরনো শৃঙ্গ। ফলে থেকে-থেকেই সেখানে ধস নামে। ১১ হাজার ফুটের উঁচু পাহাড়ে এই তুষারধসের সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু করেছে বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর। কারণ, সিকিমে বর্ষা বাদ দিয়ে প্রায় সারা বছরই প্রচুর পর্যটক যান। এখনও বহু পর্যটক রয়েছেন সেখানে। ফলে, বড়বড় বিপদ ঘটলে যাতে কোনও অসুবিধা না হয় সেই কারণে তৈরি বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরও। তবে, গ্যাংটক শহরে অবশ্য তুষারধসের কোনও আশঙ্কা নেই।
গতকাল, রাত পৌনে ন’টা নাগাদ ভূমিকম্পে কেঁপেছে সিকিম। আর তার জেরে কম্পন অনুভূত হয় দার্জিলিং,কালিম্পংয়েও। এর আগে ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে সিকিমে ২০ দিনে ৫০ বারের বেশি মৃদু ও মাঝারি কম্পন অনুভূত হয়েছিল।সবচেয়ে জোরালো কম্পনের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৪.৬। কম্পনের কেন্দ্রস্থল ছিল গ্যালসিং ও ইউকসমের কাছাকাছি। সেই সময়ও সিকিমের কম্পন অনুভূত হয়েছিল দার্জিলিং, শিলিগুড়ি ও কালিম্পংয়ে। তবে, বিশেষজ্ঞদের দাবি, যেহেতু সিকিম উচ্চ ভূকম্পনপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত। পরপর ছোট ছোট কম্পন বা ‘আফটারশক’ এটাই ইঙ্গিত দেয় যে মাটির নিচের টেকটনিক প্লেটে ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে, যা বড় কোনও ভূমিকম্পের পূর্বাভাস হলেও পারে।
