
মঙ্গলবার সকাল। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি দীর্ঘ পোস্ট করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। উপলক্ষ— ‘সোমনাথ স্বাভিমান পর্ব’। আজ থেকে ঠিক এক হাজার বছর আগে, ১০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে প্রথমবার আক্রান্ত হয়েছিল এই পবিত্র মন্দির। কিন্তু ধ্বংসস্তূপ থেকে বারবার ফিনিক্স পাখির মতো জেগে ওঠার নামই সোমনাথ।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর পোস্টে মনে করিয়ে দিলেন, শতাব্দী প্রাচীন সেই আঘাত ভারতের বিশ্বাসকে টলাতে পারেনি। ১৯৫১ সালে সর্দার প্যাটেল এবং কে.এম. মুন্সীর উদ্যোগে যখন মন্দিরটি পুনর্নির্মিত হয়, তা ছিল আধুনিক ভারতের সাংস্কৃতিক বিজয়ের শুরু। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ।
जय सोमनाथ !
सोमनाथ स्वाभिमान पर्व का आज से शुभारंभ हो रहा है। एक हजार वर्ष पूर्व, जनवरी 1026 में सोमनाथ मंदिर ने अपने इतिहास का पहला आक्रमण झेला था। साल 1026 का आक्रमण और उसके बाद हुए अनेक हमले भी हमारी शाश्वत आस्था को डिगा नहीं सके। बल्कि इनसे भारत की सांस्कृतिक एकता की भावना… pic.twitter.com/dDXCPf1TMM
— Narendra Modi (@narendramodi) January 8, 2026
১০২৬ সালে প্রথমবার আক্রান্ত হয় সোমনাথ মন্দির। ১৯৫১ সালে সোমনাথ মন্দিরের আধুনিকীকরণ করা হয়। ২০০১ সালে সেই আধুনিকীকরণের ৫০ বছর পূর্তি হয়। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অটল বিহারী বাজপেয়ী ও লালকৃষ্ণ আদবানি। আর চলতি ২০২৬ সালের ১৯৫১ সালের সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের ৭৫ বছর পূর্ণ হবে।
সোমনাথ কেবল একটি মন্দির নয়, এটি ভারতের জাতীয় সংকল্পের আয়না। প্রধানমন্ত্রী তাঁর এই পোস্টের মাধ্যমে আপনার কাছেও একটি আর্জি জানিয়েছেন। আপনার কি সোমনাথ দর্শনের কোনো স্মৃতি আছে? #SomnathSwabhimanParv হ্যাশট্যাগ দিয়ে শেয়ার করুন আপনার তোলা ছবি।
২০২৬ সালে সোমনাথ মন্দিরের ৭৫ বছরপূর্তিকে কেন্দ্র করে এক বড়সড় সাংস্কৃতিক মাইলফলকের দিকে এগোচ্ছে দেশ। ধ্বংস নয়, নির্মাণের এই ইতিহাসই এখন ভারতের নতুন পরিচয়।