কেন্দ্রের নয়া নিয়মে মেনে তথ্য পাঠিয়েছে ফেসবুক, গুগল, উলটো পথে হাঁটছে টুইটার!

বুধবার থেকে নতুন নিয়ম কার্যকর হওয়ার পরই ফেসবুক, গুগল, হোয়াটসঅ্যাপ, কু, টেলিগ্রামের মতো সোশ্যাল মিডিয়া মাধ্যমগুলি প্রয়োজনীয় তথ্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জমা দিলেও একমাত্র টুইটারের তরফেই কোনও জবাব মেলেনি।

কেন্দ্রের নয়া নিয়মে মেনে তথ্য পাঠিয়েছে ফেসবুক, গুগল, উলটো পথে হাঁটছে টুইটার!
ফাইল চিত্র।

নয়া দিল্লি: কেন্দ্রের নয়া তথ্য প্রযুক্তি আইনের নিয়ম মানছে না টুইটার(Twitter)! ফেসবুক (Facebook), গুগল(Google), হোয়াটসঅ্যাপ(WhatsApp), কু(kg), টেলিগ্রাম(Telegram)-র মতো সোশ্যাল মিডিয়া মাধ্যমগুলি কেন্দ্রের নয়া তথ্য প্রযুক্তি আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় তথ্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জমা দিলেও একমাত্র টুইটারের তরফেই কোনও জবাব মেলেনি, এমনটাই সরকারি সূত্রের দাবি।

চলতি সপ্তাহ থেকে কার্যকরী হওয়া কেন্দ্রের নয়া তথ্য প্রযুক্তি আইন, যার আওতায় ডিজিটাল ও সোশ্যাল মিডিয়াগুলি পড়ছে, তাতে দেশে প্রতিটি সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থার তরফে একজন করে কমপ্লায়েন্স অফিসার, একজন নোডাল অফিসার ও অভিযোগ জানানোর জন্য এক আধিকারিককে নিয়োগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। বাকি সংস্থাগুলির তরফে এই বিষয়ে যাবতীয় তথ্য জমা দেওয়া হলেও টুইটারের তরফে এখনও কেন্দ্রের নিয়ম অনুযায়ী কোনও কমপ্লায়েন্স অফিসারের নাম জমা দেওয়া হয়নি বলেই জানা গিয়েছে।

বুধবার থেকে নতুন নিয়ম কার্যকর হওয়ার পরই কেন্দ্রের বিরোধিতা করে আদালতের দারস্থ হয় ফেসবুকের মালিকানাধীন হোয়াটসঅ্যাপ। তাদের অভিযোগ, কেন্দ্রের এই নিয়ম সংবিধান বিরোধী এবং ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তার রক্ষার নিয়মের সম্পূর্ণ বিরুদ্ধে। অন্যদিকে টুইটারের তরফেও পরদিনই জানানো হয়, ভারতে টুইটার ব্যবহারকারীদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। এরপরই কেন্দ্রের তরফে কড়া জবাবে বলা হয়, “আড়াল থেকে কথা না বলে দেশের আইন মেনে চলুন।”

সূত্র অনুযায়ী, গতকাল রাতে টুইটারের তরফে ভারতে কর্মরত এক আইনজীবীর নাম নোডাল অফিসার হিসাবে পাঠানো হয়। কিন্তু কেন্দ্রের নিয়ম অনুযায়ী, এই পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিকে সংস্থার কর্মী হতে হবে এবং অবশ্যই ভারতীয় নাগরিক হতে হবে। যদিও জ্যাক ডরসির সংস্থা সেই নিয়ম মানছে না বলেই অভিযোগ।

আরও পড়ুন: বিদেশে পড়তে যাবেন? পড়ুয়াদের সুবিধার্থে টিকাকরণের নিয়মে বড় পরিবর্তন ঠাকরে সরকারের