AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Supreme Court: নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের বৈধতা নিয়ে ‘দ্বিখণ্ডিত’ রায় সুপ্রিম কোর্টের

Supreme Court on CEC Selection: বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত বৃহত্তর বেঞ্চে পাঠানোর আর্জি খারিজ করে দেন। তাঁর মতে, মামলাটি সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। তিনি জানান, সুনির্দিষ্ট আইন বা নীতি প্রয়োগ করেই এই মামলার নিষ্পত্তি সম্ভব, এর জন্য বৃহত্তর বেঞ্চে পাঠানোর প্রয়োজন নেই।

Supreme Court: নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের বৈধতা নিয়ে 'দ্বিখণ্ডিত' রায় সুপ্রিম কোর্টের
Image Credit: TV9 Bangla
| Updated on: Sep 23, 2026 | 8:47 PM
Share

নয়া দিল্লি: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগের নিয়মকে চ্যালেঞ্জ করে হওয়া মামলা পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে পাঠানো হবে কি না, সেই সংক্রান্ত মামলায় দ্বিখণ্ডিত (Split) রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। বুধবার বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি সতীশ শর্মার বেঞ্চ পাঁচদিন ধরে ওই মামলা শুনেছে। সাংবিধানিক বেঞ্চে পাঠানোর বিপক্ষে রায় দিয়েছেন বিচারপতি দত্ত।

কী সেই মামলা?

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের বেঞ্চ থেকে প্রধান বিচারপতিকে বাদ দেওয়া হয় ২০২৩ সালে। বর্তমান নিয়মে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের জন্য থাকেন তিন সদস্য- প্রধানমন্ত্রী, একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিরোধী দলনেতা। সেই নিয়মকে চ্যালেঞ্জ করে একটি মামলা হয়। সেই মামলা বৃহত্তর বেঞ্চে পাঠানো হবে কি না, তা নিয়েই চলছিল শুনানি।

দুই বিচারপতির মতপার্থক্য

বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত বৃহত্তর বেঞ্চে পাঠানোর আর্জি খারিজ করে দেন। তাঁর মতে, মামলাটি সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। তিনি জানান, সুনির্দিষ্ট আইন বা নীতি প্রয়োগ করেই এই মামলার নিষ্পত্তি সম্ভব, এর জন্য বৃহত্তর বেঞ্চে পাঠানোর প্রয়োজন নেই। অন্যদিকে, বিচারপতি সতীশ চন্দ্র শর্মা বিচারপতি দত্তের এই মতের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন। তাঁর মতে, এই মামলায় আইনের একটি বড় প্রশ্ন জড়িত, যা পাঁচ বিচারপতির সংবিধান বেঞ্চেই যাওয়া উচিৎ।

আম্পায়ারের উদাহরণ টানলেন বিচারপতি দত্ত

তিনি আরও বলেন, “এমন একজন আম্পায়ারকে সবসময়ই সেই দলের প্রতি অনুগত বলে সন্দেহ করা হবে। নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগের প্রক্রিয়াটি এমন করা দরকার, যাতে তাঁদের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে বিন্দুমাত্র সংশয় না থাকে।” বিচারপতি দত্তের পর্যবেক্ষণের মূল বক্তব্য হল, নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীনতা দিতে হলে তা সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে রাখতে হবে।

তিনি বলেন, “একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে একটি স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের ওপর। নির্বাচন কমিশনের কেবল স্বাধীন হওয়াই যথেষ্ট নয়, তাকে স্বাধীনতার সঙ্গে কাজও করতে হবে।”

Follow Us