AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Dhabit Mehta : কোডিং ছেড়ে ম্যানেজমেন্টে সাফল্য! IIM বেঙ্গালুরুতে গোল্ড মেডেল পেলেন ধবিত মেহতা

Dhabit Mehta IIM Gold Medalist : ধবিতের যাত্রা শুরু হয় গুজরাটের আনন্দের আনন্দলয় স্কুল থেকে। ২০১৬ সালে সেখান থেকে স্কুলশিক্ষা শেষ করেন। এরপর তিনি আইআইআইটি এলাহাবাদ থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে দু'টি বিষয়ে ডিগ্রি (বিটেক এবং এমটেক) অর্জন করেন। ছোটবেলা থেকেই কোডিংয়ের প্রতি গভীর আগ্রহ ছিল। প্রযুক্তি ক্ষেত্রে আরও ভালো অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য তিনি গুজরাটের কাছাকাছি অন্যান্য বিকল্পের পরিবর্তে এই প্রতিষ্ঠানটিকেই বেছে নেন। ২০২১ সালে পড়াশোনা শেষ করার আগেই তিনি নিজের কর্মজীবনের লক্ষ্য স্থির করে ফেলেছিলেন।

Dhabit Mehta : কোডিং ছেড়ে ম্যানেজমেন্টে সাফল্য! IIM বেঙ্গালুরুতে গোল্ড মেডেল পেলেন ধবিত মেহতা
ধাবিত মেহতাImage Credit: TV9 Bharatvarsh
| Updated on: Apr 05, 2026 | 3:42 PM
Share

ব্যাঙ্গালুরু: সঠিক সিদ্ধান্ত ও অধ্যাবসায় কিন্তু সাফল্যের চাবিকাঠি। তা আরও একবার প্রমাণ করলেন ধাবিত মেহতা। গুজরাটের আনন্দের বাসিন্দা তিনি। ভারতে কোডিং ল্যাবে কাজ করা থেকে শুরু করে ইউরোপের কর্পোরেট জগতে কাজ করেছেন তিনি। কিন্তু পড়াশোনার জন্য চাকরি ছেড়েছেন। আর তাতেই মিলেছে সাফল্য।আইআইএম ব্যাঙ্গালোর থেকে সাফল্যের নয়া গল্প লিখলেন তিনি। স্বর্ণপদক জিতেছেন তিনি। প্রতিষ্ঠানটির মর্যাদাপূর্ণ ‘ওয়াল অফ ফেম’-এ স্থান করে নিয়েছেন। আদিত্য শাহের পর ধাবিত হলেন দ্বিতীয়, যিনি আইআইএম ব্যাঙ্গালোরে শিক্ষাগত যোগ্যতার জন্য স্বর্ণপদক জিতেছেন।

ধবিতের যাত্রা শুরু হয় গুজরাটের আনন্দের আনন্দলয় স্কুল থেকে। ২০১৬ সালে সেখান থেকে স্কুলশিক্ষা শেষ করেন। এরপর তিনি আইআইআইটি এলাহাবাদ থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে দু’টি বিষয়ে ডিগ্রি (বিটেক এবং এমটেক) অর্জন করেন। ছোটবেলা থেকেই কোডিংয়ের প্রতি গভীর আগ্রহ ছিল। প্রযুক্তি ক্ষেত্রে আরও ভালো অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য তিনি গুজরাটের কাছাকাছি অন্যান্য বিকল্পের পরিবর্তে এই প্রতিষ্ঠানটিকেই বেছে নেন। ২০২১ সালে পড়াশোনা শেষ করার আগেই তিনি নিজের কর্মজীবনের লক্ষ্য স্থির করে ফেলেছিলেন।

আমেরিকা এবং নরওয়েতে চাকরি

কোভিড মহামারীর সময় ধাবিতের জন্ম। তিনি প্রথমে একটি মার্কিন ক্লাউড কোম্পানিতে কাজ করতেন। তারপর মাইক্রোসফটে যোগ দেন। ২০২২ সালের জুলাই মাসে তিনি সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে নরওয়েতে চাকরি করতে যান। প্রায় দুই বছরের মধ্যে পদোন্নতিও পান।

তিনি চাকরির পাশাপাশি চার্টার্ড ফিনান্সিয়াল অ্যানালিস্ট (সিএফএ) প্রোগ্রামটি শুরু করেন। তিনি কোনও কোচিং ছাড়াই লেভেল ওয়ান এবং লেভেল টু পাশ করেন। এটি এমন কৃতিত্ব, যা পরবর্তীতে তাঁর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণিত হয়। ২০২৪ সালে তাঁর জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় আসে। সেইসময় একটা বড় সিদ্ধান্ত নেন তিনি। মাইক্রোসফট নরওয়ের চাকরি ছেড়ে এমবিএ করার জন্য ভারতে ফিরে আসেন।

২০২১ সালে সামান্য প্রস্তুতি নিয়েই তিনি ক্যাট (CAT)-এ ৯৮.৫ পার্সেন্টাইল স্কোর করেন। কিন্তু আইআইএম ইন্দোরে ভর্তি না হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ২০২৩ সালে যখন তিনি পুনরায় পরীক্ষা দেন, তখন আইআইএম ব্যাঙ্গালোর সহ বেশ কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান থেকে সাক্ষাৎকারের জন্য ডাক পান। প্রাথমিকভাবে তাকে ওয়েটিং লিস্টে রাখা হলেও, অবশেষে তিনি পিজিপি (PGP) প্রোগ্রামে ভর্তির সুযোগ পান।

Follow Us