Supreme Court on SIR: জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে নোটিস দিল করল সুপ্রিমকোর্ট
Supreme Court: আদালতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতার সওয়াল, "আমরা আদালত অবমাননার মামলার নোটিসের প্রেক্ষিতে হলফনামা জমা করেছি। হলফনামায় নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া হয়েছে। সংবাদমাধ্যমে দেখানো হচ্ছে সরকার ক্ষমা চেয়েছে। কিন্তু এটা ঠিক নয়। আমরা আমাদের অবস্থানও ব্যাখ্যা করেছি।"

নয়া দিল্লি: ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধি-সহ ইন্ডিয়া জোটের একাধিক নেতা। বৃহস্পতিবার সেই মামলায় নির্বাচন কমিশনকে নোটিস জারি করল দেশের শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং অন্য দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশীকেও নোটিস পাঠিয়েছে। শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করেন, আবেদনকারীদের মধ্যে একজনকে তাঁর আচরণ সম্পর্কে ব্যাখ্যা দিতে বলা হবে।
আদালতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতার সওয়াল, “আমরা আদালত অবমাননার মামলার নোটিসের প্রেক্ষিতে হলফনামা জমা করেছি। হলফনামায় নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া হয়েছে। সংবাদমাধ্যমে দেখানো হচ্ছে সরকার ক্ষমা চেয়েছে। কিন্তু এটা ঠিক নয়। আমরা আমাদের অবস্থানও ব্যাখ্যা করেছি।” এরপর প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সওয়াল, “আমরা এখনও রিপোর্ট পড়িনি।”
এদিন, রাহুল গান্ধীর পক্ষে হাইকোর্টে সওয়াল করছেন কপিল সিব্বল। আজ আদালতে রাহুল গান্ধীর নাম না করে প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, “একজন পিটিশনারের কাজকর্ম নিয়ে আমরা প্রশ্ন করতে চাই।”
মামলার ব্যাকগ্রাউন্ড
- অবসরপ্রাপ্ত সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির তত্ত্বাবধানে তদন্ত কমিটি গঠনের আবেদন জানিয়েছে বিরোধীরা।
- এই কমিটিতে টেকনিক্যাল এক্সপার্ট এবং দেশের স্বনামধন্য ব্যক্তিদের রাখার আবেদন জানানো হয়েছে। সুনির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সমগ্র এসআইআর প্রক্রিয়ার অডিট করার আবেদন জানানো হয়েছে। যেসব রাজ্যে এসআইআর চলছে অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ দিয়ে তা আপাতত স্থগিত রাখার আবেদন জানিয়েছে বিরোধী নেতৃত্ব।
- বাকি দুই কমিশনারকে উপেক্ষা করে জাতীয় নির্বাচন কমিশনে জ্ঞানেশ কুমার একতরফা সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন বলে পিটিশনে অভিযোগ করা হয়েছে।
- SIR বাস্তবায়নের গৃহীত সিদ্ধান্তের কোনও লিখিত রেকর্ড নেই বলেও অভিযোগ।পিটিশনে উল্লেখ করা হয়েছে, রুল সংশোধনী ছাড়াই ফর্ম 6 পরিবর্তন করা হয়েছে। যা সংবিধান বিরোধী।
- কমিশনের অ্যাপ ECINET এবং ERONET এর ত্রুটি তুলে ধরা হয়েছে।
- এই সংক্রান্ত মামলারই শুনানি ছিল এ দিন।
