Supreme Court: ‘এটা কোনও রাম বনাম শ্যাম মামলা নয়… বাধ্য করবেন না’, রাজ্যকে কড়া বার্তা বিচারপতির
IPAC Case: এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন মালদহের কালিয়াচকে সাত জুডিশিয়াল অফিসারকে আটকে রেখে হামলার অভিযোগ ওঠে। এমনকী তাঁরা বাড়ি ফেরার সময়ও তাঁদের উপর হামলা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরে সুপ্রিম কোর্ট সেই মামলায় কেন্দ্রীয় সংস্থাকে দিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেয়।

নয়া দিল্লি: বৃহস্পতিবার রাজ্যের প্রথম দফার ভোট। আর সেদিনই ফের সুপ্রিম কোর্টে হবে আইপ্যাক মামলার শুনানি। বুধবারের শুনানিতে মুখ্যমন্ত্রীর তল্লাশিতে প্রবেশ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সেই সঙ্গে রাজ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিচারপতি পি কে মিশ্র। উঠে এসেছে কালিয়াচকে জুডিশিয়াল অফিসারদের উপর হামলা প্রসঙ্গ।
কী হয়েছিল কালিয়াচকে?
এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন মালদহের কালিয়াচকে সাত জুডিশিয়াল অফিসারকে আটকে রেখে হামলার অভিযোগ ওঠে। এমনকী তাঁরা বাড়ি ফেরার সময়ও তাঁদের উপর হামলা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরে সুপ্রিম কোর্ট সেই মামলায় কেন্দ্রীয় সংস্থাকে দিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেয়। ইতিমধ্যেই এনআইএ সেই মামলার তদন্ত শুরু করেছে। গ্রেফতারও করা হয়েছে বেশ কয়েকজনকে।
বিচারপতি মিশ্রর তাৎপর্যপূর্ণ পর্যবেক্ষণ
আইপ্যাক মামলার শুনানিতে রাজ্যের হয়ে আইনজীবী সিদ্ধার্থ লুথরা, সওয়াল করার সময় বলেন, “নিয়ম অনুযায়ী যেখানে ইডি আক্রান্ত হয়েছে, সেখানে রাজ্য পুলিশ ও প্রশাসনের দ্বারস্থ হতে হবে তদন্তকারী সংস্থাকে।” এরপরই কালিয়াচক প্রসঙ্গ তুলে আনেন বিচারপতি।
বিচারপতি পি কে মিশ্র বলেন, “এ একটা বেনজির পরিস্থিতি। অন্য বেঞ্চে এফআইআর নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সেখানে আমরা দেখেছি যে কয়েকজন জুডিশিয়াল অফিসারকে আটক করে রাখা হয়েছিল। যা ঘটছে, সেই বাস্তবতাকে আমরা উপেক্ষা করতে পারি না। রাজ্যের যে বাস্তব পরিস্থিতি, তা থেকে আমরা দৃষ্টি ঘুরিয়ে রাখতে পারিনা। আমাদের কড়া পর্যবেক্ষণ করতে বাধ্য করবেন না।”
বিচারপতি আরও বলেন, “এটা কোনও সাধারণ রাম বনাম শ্যাম-এর মামলা নয়। এটি একটি নজিরবিহীন পরিস্থিতি, যার চরিত্র সম্পূর্ণ আলাদা। আদালতকে সামাজিক-রাজনৈতিক বাস্তবতাকে মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। প্রতি মুহূর্তে পরিস্থিতির বদল হচ্ছে।”
কালিয়াচক প্রসঙ্গ তুলে বিচারপতি বলেন, “রাজ্যে যখন এই পরিস্থিতি, তখন আপনি চান, সেকশন ২০০ মেনে এক্ষেত্রে আবেদনকারীর ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যাওয়া উচিত ছিল?”
