
নয়া দিল্লি: এসআইআর প্রক্রিয়ায় মাইক্রো অবজারভারদের ভূমিকা নিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সুপ্রিম কোর্টে এই ইস্যুতে সওয়াল করে এসেছেন। অন্য রাজ্যে না হলেও, পশ্চিমবঙ্গে এত বিপুল সংখ্যক মাইক্রো অবজারভার কেন নিয়োগ করা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। আর এবার সেই মাইক্রো অবজারভারদের ভূমিকা নিয়েই বিশেষ নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট।
ব্যাপক সংখ্যায় মানুষের নাম বাদ যেতে পারে, সোমবার সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান। আইনজীবীর দাবি, ম্যানুয়ালে বলা আছে, মাইক্রো অবজার্ভার নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থাকবেন। এর কোনও অন্য ভিত্তি নেই বলে উল্লেখ করেন আইনজীবী। তাঁর কথা, মেনে নেন প্রধান বিচারপতি। তিনি মেনে নেন, ইআরও (ERO)-রা সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, মাইক্রো অবজারভাররা নন।
এদিন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত স্পষ্ট বলেন, ‘কমিশনের আইনজীবী ইআরও(ERO)-র ক্ষেত্রে ফাইনাল সিদ্ধান্ত নেবেন, তাঁরা কমপিটেন্ট অফিসার দিলে এই সমস্যা থাকবে না।’ মাইক্রো অবজারভারদের যে অতি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, সেই প্রসঙ্গে কিছু স্ক্রিনশট এদিন তুলে ধরছেন তিনি। একটা এক্সট্রা ইলেকশন অথরিটি তৈরি করছে বলেও মন্তব্য করেন।
মাইক্রো অবজারভারদের এক্সট্রা লিগাল রোল কীভাবে কার্যকর হচ্ছে, সেই প্রশ্নও তুলেছেন আইনজীবী। তাঁর অভিযোগ, ERO, AERO কোনও ব্যক্তিকে ওকে করে দিলেও মাইক্রো অবজারভাররা করছে না। কমিশনের দাবি, এসব কথা ভিত্তিহীন। ইআরও-রাই সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত নেবেন।