
নয়া দিল্লি: বিএলএ-দের শুনানি কেন্দ্রে থাকতে দিতে হবে, এমন দাবি শুরু থেকেই জানিয়ে এসেছে তৃণমূল। আজ, সোমবার সেই দাবিতেই মান্যতা দিল সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চের নির্দেশ অনুযায়ী, এবার থেকে বিএলএ-রা থাকতে পারবেন হিয়ারিং-এ। শুধু তাই নয়, ভোটারের হয়ে সওয়ালও করতে পারবেন। সুপ্রিম কোর্ট রায় দেওয়ার পরই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “কোর্টে হারিয়েছি, এপ্রিলে ভোটে হারাব।” তবে এই রায়কে তৃণমূলের নৈতিক জয় হিসেবে মানতে নারাজ বিজেপি।
শীর্ষ আদালতে মান্য়তা পেল তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ দোলা সেন ও ডেরেক ও ব্রায়েন। আজ সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে ছিল সেই মামলার শুনানি। সেখানেই তৃণমূলের একাধিক দাবি এদিন মান্যতা পেয়েছে। দু’সপ্তাহ পর ফের এই মামলার শুনানি রয়েছে।
প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, যে সব ভোটাররা শুনানিতে ডাক পাচ্ছেন, তাঁরা তাঁদের পক্ষ থেকে শুনানিতে সওয়াল করার জন্য কারও সাহায্য নিতে পারেন। আত্মীয়, বন্ধু, প্রতিবেশীদের, এমনকী বিএলএ-দেরও সাহায্য নিতে পারেন বলে নির্দেশে জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে স্বাক্ষর অথবা টিপসই (thumb mark) দিয়ে চিঠি সহ অথরাইজেশন করতে হবে। অর্থাৎ অথরাইজেশন থাকলে, বিএলএ কোনও ভোটারের হয়ে হাজির হতে পারবেন হিয়ারিং-এ।
আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ওই রায় প্রসঙ্গে বলেন, “বিএলএ-দের প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছিল না। কমিশনের অনেক আপত্তি ছিল। কোর্ট বলেছে, যে কোনও ভোটার শুনানিতে কারও সাহায্য নিতে পারে।” বিএলএ-দেরও সাহায্য নেওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন তিনি। তৃণমূল এই রায়কে বড় জয় হিসেবে দেখছে। তবে বিজেপি বলছে, যেখানে কোনও গণতন্ত্রই নেই, সেখানে কী করে নৈতিক জয় বলা হবে। বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, “তৃণমূলের নৈতিক জয় হিসেবে কী করে দেখব। আজও ফর্ম ৭ জমা দিতে গেলে ক ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। এটাও তো তৃণমূল কংগ্রেস করছে। গণতন্ত্রই নেই। যতদিন পর্যন্ত প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে না, ততদিন ভোট হবে না।”