SC: ‘সময় লাগবে…’, দিল্লিতে মহিলা সাংবাদিকদের ‘যৌন হেনস্থা’ মামলায় অভিযুক্ত পুলিশ আধিকারিকের উদ্দেশে বড় বার্তা প্রধান বিচারপতির
Supreme Court Women Journalists: সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, অভিযুক্ত পুলিশ আধিকারিকদের কোর্টে দাঁড়িয়ে অভিযোগের প্রেক্ষিতে নিজেদের বক্তব্য ব্যাখ্যা করতে হবে। সাংবাদিক, আইনজীবীদের হেনস্থা এবং আদালত অবমাননার মামলা আজ শুনবে না সুপ্রিম কোর্ট।

নয়া দিল্লি: দিল্লির যন্তর মন্তরে একটি বিক্ষোভের কভারেজ করতে গিয়ে তিন মহিলা সাংবাদিক দিল্লি পুলিশের এক এসিপি পদমর্যাদার আধিকারিকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থা ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ তুলেছেন। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে সেই মামলার শুনানি ছিল। মহিলা সাংবাদিকদের হেনস্থার অভিযোগের মামলায় অভিযুক্ত পুলিশ আধিকারিকদের সুপ্রিম কোর্টে এজলাসে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত।
সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, অভিযুক্ত পুলিশ আধিকারিকদের কোর্টে দাঁড়িয়ে অভিযোগের প্রেক্ষিতে নিজেদের বক্তব্য ব্যাখ্যা করতে হবে। সাংবাদিক, আইনজীবীদের হেনস্থা এবং আদালত অবমাননার মামলা আজ শুনবে না সুপ্রিম কোর্ট। আদালত জানিয়েছে, এই সংক্রান্ত জমা করা হলফনামা পড়তে সময় লাগবে। সেক্ষেত্রে উপস্থিত থাকতে হবে অভিযুক্ত পুলিশ আধিকারিকদের।
প্রসঙ্গত, গত ৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে দিল্লির যন্তর মন্তরে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি নিয়ে আয়োজিত একটি বিক্ষোভ চলাকালীন এই ঘটনা ঘটে। তিন জন মহিলা সাংবাদিক এক দিল্লি পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ আনেন। আর ঠিক এই ঘটনার পরপরই ওই পুলিশ আধিকারিকের পদোন্নতি হওয়ার খবরও প্রকাশ্যে আসে। তাতে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়। বিতর্কের মুখে পড়ে ওই পুলিশ আধিকারিক নিজেই পুলিশ কমিশনারকে চিঠি লিখে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁর পদোন্নতি স্থগিত রাখার আবেদন জানান। তাঁর এই আর্জির প্রেক্ষিতেই সরকার তাঁর পদোন্নতির নির্দেশিকা সংশোধন করে তা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।
নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এফআইআর (FIR) দায়ের করার দাবি জানিয়েছে বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন—যেমন ইন্ডিয়ান উইমেনস প্রেস কর্পস, প্রেস ক্লাব অফ ইন্ডিয়া, দিল্লি ইউনিয়ন অফ জার্নালিস্ট, প্রেস অ্যাসোসিয়েশন এবং কেরালা সাংবাদিক ইউনিয়ন।
