AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Supreme Court: ‘ছাড় না পেয়ে যায় অপরাধীরা’, IPAC মামলায় দেশের মধ্যে উদাহরণ তৈরির ‘বার্তা’ সুপ্রিম কোর্টের

Supreme Court on IPAC case: সব পক্ষকে আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে জবাবি হলফনামা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। নোটিসও ইস্যু করেছেন তিনি। এছাড়া মুখ্যমন্ত্রীর নিয়ে যাওয়া যাবতীয় ডিজিটাল ডিভাইসের তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে। যেখানে তল্লাশি চলেছে এবং তার সংলগ্ন এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ, স্টোরেজ ডিভাইস সংরক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

Supreme Court: 'ছাড় না পেয়ে যায় অপরাধীরা', IPAC মামলায় দেশের মধ্যে উদাহরণ তৈরির 'বার্তা' সুপ্রিম কোর্টের
Image Credit: TV9 Bangla
| Updated on: Jan 15, 2026 | 7:27 PM
Share

নয়া দিল্লি: আইপ্যাকের অফিস ও প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালানোর সময় পুলিশ নিয়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ঘটনা থেকেই মামলার সূত্রপাত। আজ, বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির আগে ও পরে মিলিয়ে দিনভর চলে দীর্ঘ শুনানি। শুনানি শেষে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে দেয় যে এই মামলায় রায় দেওয়া ঠিক কেন জরুরি। দেশের সামনে একটা উদাহরণ তৈরির কথাও বলে বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র ও বিচারপতি বিপুল পাঞ্চোলির বেঞ্চ।

অভিযোগ ছিল মূলত একটাই। ইডি যখন তল্লাশি চালাচ্ছে, তখন সেখানে প্রবেশ করে নথি নিয়ে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। চুরি-ডাকাতির মতো অপরাধের ধারায় মামলা করা হয়েছে তৃণমূল সুপ্রিমোর বিরুদ্ধে। সেদিন মমতার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের শীর্ষ পুলিশকর্তারা।

ঠিক কী বলল সুপ্রিম কোর্ট:

অর্ডারে সুপ্রিম কোর্ট বলছে, “দেশের সব সংস্থা যাতে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে, তার জন্য দেখতে হবে যাতে কোনও নির্দিষ্ট রাজ্য়ের আইনরক্ষকদের সুরক্ষা না পেয়ে যায় অপরাধীরা।” এরপরই শীর্ষ আদালত বলছে, “যদি এ ক্ষেত্রে কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়া হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। এছাড়া এক বা একাধিক রাজ্যে আইন লঙ্ঘন হওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারে।”

এই মামলায় মমতা বা তৃণমূলের মূল অভিযোগ হল, তাদের দলের গুরুত্বপূর্ণ নথি নেওয়ার চেষ্টা করেছিল ইডি। সেই প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, “যদিও কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থার ক্ষমতা নেই কোনও দলের নির্বাচনী কাজে হস্তক্ষেপ করা, তবে এটাও দেখতে হবে যে বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের তদন্ত করতে গেলে দল যেন রাজনৈতিক কাজের দোহাই দিয়ে তদন্তে বাধা না দেয়।”

এদিন সব পক্ষকে আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে জবাবি হলফনামা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। নোটিসও ইস্যু করেছেন তিনি। এই ২ সপ্তাহের সময়ের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর নিয়ে যাওয়া যাবতীয় ডিজিটাল ডিভাইসের তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে। যেখানে তল্লাশি চলেছে এবং তার সংলগ্ন এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ, স্টোরেজ ডিভাইস সংরক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।