BLO: স্বামীর হাতে নোটিস পেয়ে কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ BLO-র স্ত্রী
SIR in Bengal: সুস্মিতা মুজুমদারের বাবা সুব্রত চট্টোপাধ্য়ায় সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। ২০০২ সালের তালিকায় তাঁর নাম ছিল না। সুস্মিতা দেবীর সাফ কথা, এখানে BLO-দের কোনও গাফিলতি নেই। নির্বাচন কমিশনের গাফিলতির ফলে ভুগতে হচ্ছে সাধরণ মানুষকে, হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।

তারকেশ্বর: একদিন আগেই নিজেকে ও নিজের স্ত্রীকে এসআইআর এর নোটিস দিয়ে খবরে উঠে এসেছিলেন কাটোয়ার ১৬৫ নম্বর বুথের বিএলও দেবশঙ্কর চট্টোপাধ্যায়। তথ্যগত অসঙ্গতি থাকায় অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছিলেন বিএলও-র হিসাবে নিজের দায়িত্ব। এবার যেন একই ঘটনার প্রতিচ্ছবি দেখা গেল তারকেশ্বরে। নিজের স্ত্রীকে এসআইআর এর নোটিস দিলেন তারকেশ্বর পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের ২৪৮ নম্বর বুথের বিএলও রাজশেখর মুজুমদার। রাত পোহালেই তাঁর শুনানি। যদিও নোটিস পেতেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন রাজশেখরবাবুর স্ত্রী সুস্মিতা মজুমদার।
সুস্মিতা দেবীর সাফ কথা, এখানে BLO-দের কোনও গাফিলতি নেই। নির্বাচন কমিশনের গাফিলতির ফলে ভুগতে হচ্ছে সাধরণ মানুষকে, হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। সূত্রের খবর, সুস্মিতা মুজুমদারের বাবা সুব্রত চট্টোপাধ্য়ায় সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। ২০০২ সালের তালিকায় তাঁর নাম ছিল না। কিন্তু ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে নাম ছিল সুস্মিতা দেবীর দাদু ভুপেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের। এসআইআর-এ দাদুর নামে ম্যাপিং করান সুস্মিতা দেবী। কিন্তু দাদুর সঙ্গে ৪০ বছরের ফারাক দেখিয়ে নোটিস দেওয়া হয়েছে সুস্মিতা দেবীকে।
এদিকে দাদু ভুপেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বয়স ২০০২ সালের তালিকায় উল্লেখ্য করা আছে। ৮১ বছর। বর্তমানে বেঁচে থাকলে বয়স হতো প্রায় ১০৫। কিন্তু তিনি মারা যান ২০১০ সালে। বর্তমানে সুস্মিতা দেবীর বয়স ৩৭ বছর। এই হিসাব ধরলে বয়সের ফারাক ৬৫ বছর হওয়ার কথা। তাহলে কেন নোটিস? সেই প্রশ্ন তুলছেন সুস্মিতা দেবীর পরিবারের সদস্যরা। খানিক বিরক্ত BLO রাজশেখর মুজুমদারও। তিনি বলছেন, প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে এই ভুল। যার জেরেই হয়রানির শিকার হচ্ছেন সাধরণ মানুষ।
