Supreme Court Stray Dog Verdict: ‘… আর ফেরানো যাবে না’, পথ কুকুর নিয়ে ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ
Stray Dog Rules: দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কুকুরের কামড়ে সাধারণ মানুষের আক্রান্ত হওয়ার ভয়াবহ পরিসংখ্যান তুলে ধরে আদালত এই রায় দেয়। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, রেল স্টেশন, বাস স্ট্যান্ড, স্পোর্টস কমপ্লেক্স এবং হাইওয়ের মতো জনবহুল এলাকা থেকে পথ কুকুরদের দ্রুত সরাতে হবে।

নয়াদিল্লি: জননিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে পথ কুকুর সংক্রান্ত মামলায় এক ঐতিহাসিক রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বিক্রম নাথ, বিচারপতি সন্দীপ মেহতা এবং বিচারপতি এন ভি আঞ্জারিয়ার ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, স্কুল, কলেজ বা হাসপাতালের মতো সংবেদনশীল এলাকা থেকে পথ কুকুরদের টিকাকরণ বা বন্ধ্যাকরণের জন্য নিয়ে যাওয়ার পর, তাদের আর সেই পুরনো জায়গায় ফেরত পাঠানো যাবে না। এই মর্মে শীর্ষ আদালত তার পূর্ববর্তী ২৫ নভেম্বরের নির্দেশিকাই বহাল রেখেছে এবং পশুপ্রেমী ও সমাজকর্মীদের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে।
দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কুকুরের কামড়ে সাধারণ মানুষের আক্রান্ত হওয়ার একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরে আদালত এই রায় দেয়। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, রেল স্টেশন, বাস স্ট্যান্ড, স্পোর্টস কমপ্লেক্স এবং হাইওয়ের মতো জনবহুল এলাকা থেকে পথ কুকুরদের দ্রুত সরাতে হবে।
সংবেদনশীল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালগুলোতে পাঁচিল বা বেড়া দিতে হবে। অপসারিত কুকুরদের নির্দিষ্ট শেল্টারে পাঠাতে হবে। প্রতি জেলায় পশু জন্মনিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র চালু করতে হবে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টি-রেবিস ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা রাখতে হবে।
চরম রোগাক্রান্ত বা অত্যন্ত বিপজ্জনক কুকুরদের ক্ষেত্রে নিয়ম মেনে ‘ইউথানাসিয়া’ বা যন্ত্রণাহীন মৃত্যুর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আদালত আরও জানিয়েছে, এই নির্দেশ কার্যকর করার ক্ষেত্রে পুরসভা বা প্রশাসনের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে কোনও এফআইআর (FIR) করা যাবে না। আগামী ৮ সপ্তাহের মধ্যে এই নির্দেশ কতটা বাস্তবায়িত হলো, তা নিয়ে প্রতিটি রাজ্যকে স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দিতে হবে এবং পুরো বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করবে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের হাইকোর্ট।
