AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

অ্যাসেটিক অ্যাসিড মেশানো কেজি কেজি আদাবাটা, সেটাই যাচ্ছে রেস্তোরাঁয়, সঙ্গে গাদা গাদা পচা খাসির মাংস

গত ১০ মার্চ মঙ্গলহাট পুলিশ স্টেশনের একটি টিম তল্লাশি চালিয়ে প্রচুর পচা মাংস উদ্ধার করে। দীর্ঘদিন ধরে রেখে দেওয়া হয়েছিল ওই পাঁঠা ও ভেড়ার মাংস। হায়দরাবাদ সিটি পুলিশ সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই তথ্য প্রকাশ করেছেন। মহম্মদ আফরোজ নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, খুব কম দামে ভিনরাজ্য থেকে মাংস এনে সংরক্ষণ করে।

অ্যাসেটিক অ্যাসিড মেশানো কেজি কেজি আদাবাটা, সেটাই যাচ্ছে রেস্তোরাঁয়, সঙ্গে গাদা গাদা পচা খাসির মাংস
Image Credit: twitter
| Updated on: Mar 14, 2026 | 11:50 AM
Share

হায়দরাবাদ: রান্নাঘরে দেওয়ার মতো সময় এখন অনেকের কাছেই খুব কম। আলাদা করে মশলা বাটার সময়ও পাওয়া যায় না। তাই বাজারে চলতি প্রোডাক্টের উপর নির্ভর করতে হয়। আদা-রসুন বাটা থেকে পোস্ত বাটা- সবটাই চাইলে কিনতে পাওয়া যায় দোকানে। কিন্তু সেই সব মশলা কতটা খাঁটি? টাস্ক ফোর্স যেভাবে হাতেনাতে ভেজাল ধরল, তাতে খাদ্য সুরক্ষা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ।

শুধু ভেজাল আদা বাটাই নয়, উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ পচা মাংস। হায়দরাবাদে তল্লাশি চালাতে গিয়ে ওই সব ভেজাল ও পচা খাবার উদ্ধার করা হয়েছে।

হায়দরাবাদে খিরতাবাদ জোনে মাল্লেপল্লী এলাকায় একটি ইউনিটে তল্লাশি চালাতে গিয়ে চমকে যান টাস্ক ফোর্সের আধিকারিকরা। দেখা যায় কেজি কেজি আদার পেস্ট তৈরি হচ্ছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক। হায়দরাবাদ সিটি পুলিশ জানিয়েছে, অ্যাসেটিক অ্যাসিড, সিন্থেটিক ফুড কালার, গাম পাউডার ও নুন মিশিয়ে ওই আদার পেস্ট তৈরি করা হচ্ছে, মানা হচ্ছে না খাদ্য সুরক্ষার কোনও দিকই।

পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয় হোলসেল শপ থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁ, ক্যাটারিং সার্ভিস- সর্বত্র পাঠানো হচ্ছিল ওই আদা পেস্ট। প্লাস্টিকের গামলায় ভর্তি করে রাখা ছিল ওই সব আদা বাটা। তাতে পড়ে থাকছিল ময়লা, উড়ছিল মাছি। ১০৯০ কেজি ভেজাল দেওয়া আদা-রসুন বাটা ও ৮৭৫ কেজি কাঁচা আদা, রসুন, রাসায়নিক উদ্ধার করা হয়েছে। ছিল পেস্ট করার মেশিন থেকে শুরু করে মোবাইল সহ প্রায় ২.২ লক্ষ টাকার জিনিসপত্র।

গত ১০ মার্চ মঙ্গলহাট পুলিশ স্টেশনের একটি টিম তল্লাশি চালিয়ে প্রচুর পচা মাংস উদ্ধার করে। দীর্ঘদিন ধরে রেখে দেওয়া হয়েছিল ওই পাঁঠা ও ভেড়ার মাংস। হায়দরাবাদ সিটি পুলিশ সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই তথ্য প্রকাশ করেছেন। মহম্মদ আফরোজ নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, খুব কম দামে ভিনরাজ্য থেকে মাংস এনে সংরক্ষণ করেন। তারপর সেই মাংসই বিক্রি করা হত বলে অভিযোগ।

Follow Us