AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

TMC MP Jagadish Basunia: তৃণমূলের লোগো, টাকা কার? বড় ইঙ্গিত দিলেন বিক্ষুব্ধ জগদীশ বসুনিয়া

Jagadish Basunia on TMC Logo and Funds: তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও  আইপ্যাককে নিশানা করে জগদীশ বলেন, "অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলা এবং ভাবের আদানপ্রদান করা খুবই কঠিন ব্যাপার ছিল। উনি এমনিতেই কম কথা বলতেন। এবং কথা শুনতেন না। অভিষেক দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দলের সিনিয়র নেতাদের সরানো হয়েছে। আইপ্যাক ও অভিষেক মিলে যে প্রার্থী বাছাই হয়েছিল, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সেটা ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। ফলে অনেক জায়গায় হেরে গিয়েছি।"

TMC MP Jagadish Basunia: তৃণমূলের লোগো, টাকা কার? বড় ইঙ্গিত দিলেন বিক্ষুব্ধ জগদীশ বসুনিয়া
কী বললেন জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া?Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jun 12, 2026 | 6:08 PM
Share

নয়াদিল্লি: ১৮ মে না ৮ জুন? তৃণমূলের লোকসভার বিক্ষুব্ধ সাংসদরা চিঠিতে কবে সই করেছেন? কবে জমা দিয়েছেন লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার কাছে? এই নিয়ে চাপানউতোর বাড়ছে। তখন মুখ খুলছেন লোকসভার বিক্ষুব্ধ তৃণমূল সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া। কোচবিহারের তৃণমূল সাংসদ বলে দিলেন, ১৮ মে নয়, ৮ জুন তাঁরা চিঠিতে সই করেছেন। সেখানে তাঁরা কী জানিয়েছেন, তাও জানালেন। টিভি৯ বাংলায় এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে আর কী বললেন জগদীশ বসুনিয়া?

অধ্যক্ষের কাছে বিক্ষুব্ধ সাংসদদের চিঠি নিয়ে-

একটি সংবাদসংস্থা বলছে, বিক্ষুব্ধ সাংসদদের সই করা চিঠি ১৮ মে জমা পড়েছে, তা কি ঠিক? প্রশ্ন শুনে কোচবিহারের তৃণমূল সাংসদ বলেন, “১৮ মে নয়। এটা ভুল। ৮ জুন স্পিকারের অফিসে জমা পড়েছে। আমরা দাবি জানিয়েছি, আমরা তৃণমূল কংগ্রেসের আলাদা লবি। এবং প্রকৃত তৃণমূল হয়ে লোকসভায় বসতে চাই। ইস্যু ভিত্তিক উন্নয়নে আমরা এনডিএ-কে সমর্থন করব। দেশ ও রাজ্যের উন্নয়ন যাতে কোথাও বাধাপ্রাপ্ত না হয়, সেজন্য সবসময় তাদের সঙ্গে থাকব।”

তিনি আরও বলেন, “চিফ হুইপ হিসেবে কাকলি ঘোষ দস্তিদার ছিলেন। এবং ডেপুটি চিফ হুইপ ছিলেন শতাব্দী রায়। সেই হিসেবে কাগজটা তাঁরা জমা দিয়েছেন। এই সই আমরা সম্ভবত তিনদিন আগে করেছি। যেটা স্পিকারের কাছে জমা পড়েছে। সেটা আজকে সামনে এসেছে।”

কাকলিকে সরিয়ে কল্যাণকে চিপ হুইপ করা নিয়ে তৃণমূলের চিঠি-

তৃণমূল বলছে, কল্যাণকে চিপ হুইপ করার চিঠি ২০ মে দেওয়া হয়েছিল। এবং ২৯ মে তা গৃহীত হয়। এই নিয়ে জগদীশ বলেন, “কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে যে ওরা করেছে, তা তো লোকসভায় গৃহীত হয়নি।” এরপরই তিনি বলেন, “এই বিষয়টি আমি জানি না। কাকলি ঘোষ দস্তিদার ও শতাব্দী রায় দেখছেন।”

একইসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা প্রকৃত তৃণমূল হিসেবেই দাবি করব। পার্টির লোগো, ফান্ডের বিষয়টি ধাপে ধাপে জানতে পারবেন। সেই প্রক্রিয়া চলছে। আগে সংসদের কাজটা শেষ হোক।”

ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবির পর কেন তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করছেন?

এই নিয়ে জগদীশ বসুনিয়া বলেন, “এই ক্ষোভটা একদিনের নয়। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে কোচবিহারে জেতে বিজেপি। কিন্তু, আমার সিতাই আসনে আমরা ৩৪ হাজারের বেশি লিড দিয়েছিলাম। তারপর বিজেপি সিতাইয়ে আমাদের কর্মীদের উপর আক্রমণ শুরু করে। এমনকি, আমার বাড়িতেও ভাঙচুর চালায়। তিনমাস আলিপুরদুয়ারে ছিলাম। আমি সেইসময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানিয়েছিলাম। কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। কিন্তু, মুখ্যমন্ত্রী চাইলেই ব্যবস্থা করতে পারতেন।”

তিনি আরও বলেন, “২০২১ সালের বিধানসভার আগে প্রকাশ্য সভায় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলাম। বলেছিলাম, দল সঠিক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন না। প্রকাশ্য সভায় সরব হয়েছিলাম। দল আমাকে কলকাতায় ডেকে পাঠিয়েছিল। প্রকাশ্যে কেন একথা বলছি, জানতে চেয়েছিল। আমার কথা জানিয়েছিলাম। একুশে সেটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। কোচবিহারে আমি আর পরেশ অধিকারী ছাড়া কেউ জেতেনি।”

অভিষেক ও আইপ্যাক নিয়ে বিস্ফোরক জগদীশ-

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও  আইপ্যাককে নিশানা করে জগদীশ বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলা এবং ভাবের আদানপ্রদান করা খুবই কঠিন ব্যাপার ছিল। উনি এমনিতেই কম কথা বলতেন। এবং কথা শুনতেন না। অভিষেক দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দলের সিনিয়র নেতাদের সরানো হয়েছে। আইপ্যাক ও অভিষেক মিলে যে প্রার্থী বাছাই হয়েছিল, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সেটা ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। ফলে অনেক জায়গায় হেরে গিয়েছি।” টাকা নিয়ে বিধানসভায় টিকিট দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি চাই দুর্নীতির তদন্ত হোক। দুর্নীতিতে যারা যুক্ত, তাদের শাস্তি হোক।”

Follow Us