AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Sudip bandyopadhyay: বিদ্রোহী তৃণমূলের দলনেতা হবেন সুদীপ? শতাব্দীর সঙ্গে এক গাড়িতে ওঠায় জোর জল্পনা

এ দিকে, সুদীপের স্ত্রী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় ছাব্বিশের ভোটের টিকিট পেয়েছেন। চৌরঙ্গী থেকে জিতেওছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও একাধিকবার দেখা গিয়েছে। এমনকী মমতার শিবিরেও দেখা যায় তাঁকে। এখন সুদীপ বিক্ষুব্ধ শিবিরে গেলে নয়না কী করবেন থাকছে সেও প্রশ্ন। কারণ, নয়নাকেও দল দায়িত্ব দিয়েছিল।

Sudip bandyopadhyay: বিদ্রোহী তৃণমূলের দলনেতা হবেন সুদীপ? শতাব্দীর সঙ্গে এক গাড়িতে ওঠায় জোর জল্পনা
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংসদImage Credit: PTI
| Edited By: | Updated on: Jun 13, 2026 | 3:32 PM
Share

কলকাতা: তাহলে রইল বাকি…? আপাতত, তৃণমূলের সর্বময় নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সঙ্গে কতজন সাংসদ রয়েছেন তা বলা যাচ্ছে না। কারণ, প্রতিদিনই প্রায় একজন-একজন করে সাংসদ হাত ছাড়ছেন তাঁর। আর গিয়ে নাম লেখাচ্ছেন বিক্ষুব্ধদের তালিকায়। সেই তালিকায় এবার কি নয়া সংযোজন? কারণ, উত্তর কলকাতার তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠকে ভূপেন্দ্র যাদব। শনিবার সাংসদ শতাব্দী রায়ের সঙ্গে একই গাড়িতে দেখা যায় সুদীপ। তারপরই বাড়ে জল্পনা।

সুদীপই কি দলনেতা?

শনিবার দিল্লিতে পৌঁছেই সরাসরি সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় চলে যান কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বাসভবনে। তাঁর সঙ্গে ছিলেন শতাব্দী রায়। এখানে উল্লেখ্য, সৌগত রায়ের পর সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এই মুহূর্তে লোকসভা ‘টিমের’ সব থেকে বর্ষীয়ান নেতা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে লোকসভায় দলনেতার দায়িত্ব সামলেছেন। এরপর সুদীপকে সরিয়ে দিয়ে দলনেতা করা হয়েছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তখন থেকেই প্রশ্ন উঠছিল তবে কি সুদীপ দলের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করবেন? যদিও তখন তিনি তা করেননি। এবার উত্তর কলকাতার সাংসদ বিদ্রোহী দলে নাম লেখালে তাঁকেই দলনেতা করে এগোতে পারেন বিক্ষুব্ধরা সাংসদরা বলে খবর সূত্রের।

তবে, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই চলে যাওয়া নিতান্তই বড় ধাক্কা। যে সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস ছেড়ে নিজের দল গঠন করেছিলেন, সেই সময় তাঁর হাত ধরে বেরিয়ে আসা অন্যতম নেতা ছিলেন সুদীপ। কিন্তু পরবর্তীতে তাঁর সঙ্গে মমতার সম্পর্ক চিড় ধরে। বাজপেয়ী মন্ত্রীসভায় সুদীপকে মন্ত্রিত্ব দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেছিলেন সে সময় সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে, মমতার দাবি অন্যরকম ছিল। এরপর ২০০৪ সালে তৃণমূল থেকে বেরিয়ে সুদীপ আলাদা ক্যাবিনেট হন কলকাতা উত্তর-পশ্চিম লোকসভা কেন্দ্রে। হারিয়েও ছিলেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে। এই সব কিছুর পরও সুদীপ ফিরে আসেন মমতার বৃত্তে।

এরপর এখন যখন তৃণমূলের অন্দরে দলছাড়ার হিড়িক, সেই সময় মমতার পাশে দেখা গিয়েছে সুদীপ পত্নী নয়নাকে। এমনকী, সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধরনা কর্মসূচিতেও নয়না ছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমোর পাশেই। নয়নাকে ডেপুটি লিডারের পদও দেন সুপ্রিমো মমতা। এখন এই নয়নার স্বামী যদি ভুপেন্দ্র যাদবের বাড়ির দিকে পা বাড়ান বলাই বাহুল্য নয়না অন্য কিছু করবেন না। কারণ সুদীপ দলছাড়ার সময় নয়নাও তখন দল ছেড়েছিলেন। ফলত, নয়না-সুদীপের আগামী রাজনীতির পথ কোন দিকে যায় এখন সেইটাই দেখার।

Follow Us