WITT সামিটের শুরুতেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরের বিশেষ সাক্ষাৎকার
TV9's WITT summit: সম্প্রতি, এক অনুষ্ঠানে অনুরাগ ঠাকুর বলেছেন, যুবরাই ভারতের ভবিষ্যতের স্থপতি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর '২০৪৭-এ বিকশিত ভারত' অভিযানে মুখ্য ভূমিকা পালন করবে যুবরাই। তারাই দেশকে বিশ্বের এক প্রধান শক্তিতে পরিণত করবে। তিনি যুবদের, বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছক ভেঙে নতুন নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ করার বিষয়ে উৎসহ দিয়েছিলেন।

নয়া দিল্লি: প্রথম বছরের অসাধারণ সাফল্যের উপর ভর করে, নয়া দিল্লিতে ফের হতে চলেছে TV9 নেটওয়ার্কের ‘হোয়াট ইন্ডিয়া থিঙ্কস টুডে’ সম্মেলন। ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া এই তিন দিনের অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী অধিবেশনেই যোগ দেবেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। এই বছরের সম্মেলনের মূল বিষয়, ‘ভারত: তৈরি পরবর্তী বড় লাফ দিতে’। তিন দিনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব, ভারতের জি২০ সভাপতিত্বের শেরপা অমিতাভ কান্ত, ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং আরও অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি। রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি), সম্মেলনের প্রথমদিনই সাক্ষাত্কার দেবেন অনুরাগ ঠাকুর।
সম্প্রতি, এক অনুষ্ঠানে অনুরাগ ঠাকুর বলেছেন, যুবরাই ভারতের ভবিষ্যতের স্থপতি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘২০৪৭-এ বিকশিত ভারত’ অভিযানে মুখ্য ভূমিকা পালন করবে যুবরাই। তারাই দেশকে বিশ্বের এক প্রধান শক্তিতে পরিণত করবে। তিনি যুবদের, বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছক ভেঙে নতুন নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ করার বিষয়ে উৎসহ দিয়েছিলেন। তিনি আরও জানান, দেশের ১৪০ কোটি জনসংখ্যার ৪১ শতাংশ, অর্থাৎ, ৫৪ কোটি ৭০ লক্ষই যুবক। এই দৃঢ় কর্মশক্তির প্রেক্ষিতে ভারতের অতুলনীয় সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন অনুরাগ ঠাকুর। তিনি বলেন, “আপনারা (যুবরা) দেশের অর্থনীতির ভবিষ্যতের চালক। আরও সক্রিয় হতে হবে আপনাদের। দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে নতুন নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ করতে হবে।” অনুরাগ ঠাকুর আরও দাবি করেন, ২০৪৭ সালের মধ্যে বিশ্বের মোট কর্মশক্তির আনুমানিক ২১ শতাংশই হবে ভারতীয়। এই তরুণরা শুধুমাত্র ভবিষ্যতের স্থপতিই নয়, তাদেরকে দেশের আকাঙ্ক্ষা, নীতি এবং ভাগ্যের রক্ষক বলে উল্লেখ করেন তিনি।
হিমাচল প্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রেম কুমার ধুমলের ছোট ছেলে অনুরাগ, জলন্ধরের দোয়াবা কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন। ২০০৮ সালে, হিমাচল প্রদেশের হামিরপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে তিনি প্রথমবার লোকসভা সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। তারপর, ২০০৯, ২০১৪ এবং ২০১৯-এ তিনি পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। একসময় ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার সভাপতি পদে ছিলেন তিনি। ২০১৯ সালে তাঁকে সংসদ রত্ন পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছিল। ক্রীড়া, যুব বিষয়ক, তথ্য ও সম্প্রচারের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব এই তরুণ নেতাকেই দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ক্রিকেটপ্রেমী হিসেবেও সুপরিচিত অনুরাগ। ২০১৫ সালের মে থেকে ২০১৭-র ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তিনি বিসিসিআই-য়ের সভাপতি পদেও ছিলেন। মন্ত্রী হিসেবে যুবদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।
