Vande Mataram: বন্দে মাতরম নিয়ে নয়া নির্দেশিকা শাহর মন্ত্রকের, কী বলল?
Vande Mataram New Guidelines: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশে বলা হয়েছে, 'বন্দে মাতরম'-এর ৩.১০ মিনিটের সংস্করণ, যার ছয়টি স্তবক রয়েছে, বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠানে বাজানো কিংবা গাওয়া উচিত। জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময়, সরকারি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির আগমন ও যাওয়ার সময়, জাতির উদ্দেশে তাঁর ভাষণের আগে ও পরে রাষ্ট্রীয় গীত বাজানো হবে। একইরকমভাবে রাজ্যপালদের আগমন ও ভাষণের আগে ও পরে 'বন্দে মাতরম' গান বাজানো কিংবা গাওয়া হবে।

নয়াদিল্লি: জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’-র মতো এবার থেকে সরকারি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রীয় গীত ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া এবং বাজানো বাধ্যতামূলক করা হল। অমিত শাহের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই নিয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করল। ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, যদি রাষ্ট্রীয় গীত ‘বন্দে মাতরম’ এবং জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’ একসঙ্গে গাওয়া বা বাজানো হয়, তাহলে প্রথমে ‘বন্দে মাতরম’ বাজানো হবে। নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, ‘বন্দে মাতরম’ গান গাওয়া বা বাজানোর সময় শ্রোতাদের উঠে দাঁড়াতে হবে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশে বলা হয়েছে, ‘বন্দে মাতরম’-এর ৩.১০ মিনিটের সংস্করণ, যার ছয়টি স্তবক রয়েছে, বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠানে বাজানো কিংবা গাওয়া উচিত। জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময়, সরকারি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির আগমন ও যাওয়ার সময়, জাতির উদ্দেশে তাঁর ভাষণের আগে ও পরে রাষ্ট্রীয় গীত বাজানো হবে। পদ্ম সম্মান দেওয়ার সময়ও বাজানো হবে ‘বন্দে মাতরম।’ একইরকমভাবে রাজ্যপালদের আগমন ও ভাষণের আগে ও পরে ‘বন্দে মাতরম’ গান বাজানো কিংবা গাওয়া হবে। তবে সিনেমা হলে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়নি।
এতদিন ‘বন্দে মাতরমের’ দুটি স্তবক গাওয়া হত। চারটি স্তবক বাদ দেওয়া হয়েছিল। নতুন নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ‘বন্দে মাতরমের’ ৬টি স্তবকই গাইতে হবে। এর জন্য সময় লাগবে ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড। সেখানে জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’ গাওয়া হয় ৫২ সেকেন্ডে। রাষ্ট্রীয় গীত ‘বন্দে মাতরমের’ সার্ধশতবর্ষে কেন্দ্র বছরভর নানা কর্মসূচি নিয়েছে। তার মধ্যেই এই নির্দেশিকা জারি করল শাহের মন্ত্রক।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নতুন এই নির্দেশিকা নিয়ে তৃণমূলের রাজ্য সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “আজকে হঠাৎ তারা নতুন অবতারে বন্দে মাতরমের কথা বলছে। খুব ভালো কথা। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন। রবীন্দ্রনাথ সুর দিয়েছিলেন। কিন্তু, বিকৃত মনোকামনা এদের। পরের স্তবকগুলো দিয়ে ভারতকে বিভাজন করব।”
