
নয়া দিল্লি: বিপদ কখন আসে, তা কেউ বলতে পারে না। পরিসংখ্যান বলছে, ভারতে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হার যথেষ্ট উদ্বেগজনক। যে কোনও পথ দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে সময়। যদি সঠিক সময়ে আহত ব্যক্তিকে নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছনো যায়, তাহলে প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হয়। কয়েক মিনিটের ফারাকেই অনেক কিছু হয়ে যেতে পারে। যাতে পথ দুর্ঘটনায় আর প্রাণ না খোয়াতে হয়, তার জন্য় কেন্দ্রের বড় উদ্যোগ। চালু হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী রাহাত প্রকল্প (PM Rahat Scheme)। এই প্রকল্পের অধীনে পথ দুর্ঘটনায় আহতদের হাসপাতালে ভর্তি ও ক্যাশলেস চিকিৎসার (Cashless Treatment) ব্যবস্থা করা হবে।
কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, ভারতে প্রতি বছর সড়ক দুর্ঘটনায় যে সংখ্যক মৃত্যুর ঘটনা ঘটে, তার মধ্যে অনেক ক্ষেত্রেই সময়মতো চিকিৎসা প্রদান করা হলে প্রাণ বাঁচানো যেত। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, দুর্ঘটনার প্রথম এক ঘণ্টা হল গোল্ডেন আওয়ার। এই সময়ের মধ্যে যদি আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা যায়, তাহলে প্রায় ৫০ শতাংশ মৃত্যু এড়ানো সম্ভব।
সেবা তীর্থে স্থানান্তরের পর প্রধানমন্ত্রী রাহাত প্রকল্পের অনুমোদনই ছিল প্রথম সিদ্ধান্ত। এই রাহাত প্রকল্প ইমার্জেন্সি রেসপন্স সাপোর্ট সিস্টেম ১১২ হেল্পলাইনের সঙ্গে যুক্ত। সড়ক দুর্ঘটনায় আহত বা পথচলতি যে কেউ ১১২ নম্বরে ডায়াল করলঅ তা নিকটবর্তী হাসপাতাল ও অ্যাম্বুল্যান্সে খবর দেওয়া সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য ওই মুহূর্তেই দেবে। এতে পুলিশ, ইমার্জেন্সি সার্ভিস ও হাসপাতালের মধ্যে সমন্বয় করতে আরও সুবিধা হবে।
চিকিৎসায় হাসপাতালের যে খরচ হবে, মোটর ভেহিকেল অ্যাক্সিডেন্ট ফান্ড থেকে সেই খরচ রিইমবার্সড করে দেওয়া হবে। যে গাড়ি ধাক্কা মেরেছে, সেই গাড়ি যদি ইন্সুরেন্স করা থাকে, তাহলে জেনারেল ইন্সুরেন্স কোম্পানি থেকে টাকা দেওয়া হবে। যদি ইন্সুরেন্স না থাকে বা হিট অ্যান্ড রান কেস হয়, তাহলে সরকার নিজের বাজেট বরাদ্দ থেকে এই টাকা দেবে। অ্যাপ্রুভ করা ক্লেম ১০ দিনের মধ্যে সেটেল করতে হবে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরকে।