
লখনউ: ঔদ্ধত্য নাকি পদের অধিকার? রাহুল গান্ধীর ব্যবহার নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল একটি ভিডিয়ো, যেখানে কংগ্রেস সাংসদকে কার্যত বচসা করতে দেখা গেল উত্তর প্রদেশের মন্ত্রীর সঙ্গে। কী নিয়ে ঝামেলা? কেনই বা এমন আচরণ করলেন রাহুল গান্ধী?
উত্তর প্রদেশের রায়বরৈলির সাংসদ এখন রাহুল গান্ধী। গত ১০-১১ সেপ্টেম্বর তিনি নিজের লোকসভা কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। জেলা উন্নয়ন কো-অর্ডিনেশন ও মনিটরিং কমিটির বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। জেলাশাসক ও বিধায়করাও উপস্থিত ছিলেন সেই বৈঠকে। সেখানেই রাহুলের বচসা বাঁধে উত্তর প্রদেশের মন্ত্রী দীনেশ প্রতাপ সিংয়ের সঙ্গে।
মন্ত্রীর অভিযোগ, বৈঠকে রাহুল গান্ধী দাবি করেন যে তিনি চেয়ারপার্সন। তার অনুমতি নিয়েই তারপর আলোচনা শুরু হওয়া উচিত। এর জবাবে উত্তর প্রদেশের মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা দীনেশ প্রতাপ সিং, যিনি আগে কংগ্রেসের সদস্য ছিলেন, তিনি বলেন যে লোকসভায় স্পিকারের নির্দেশ শোনেন না রাহুল গান্ধী। তিনিও বাধ্য নন মিটিংয়ে রাহুল গান্ধীর কথা শুনতে।
এরপরই বচসা বাধে। ভাইরাল ভিডিয়োয় রাহুল গান্ধীকে বলতে শোনা যায়, “আমি এই বৈঠকের চেয়ারম্যান। যদি তোমার কিছু বলার থাকে, তাহলে আগে জিজ্ঞাসা করো। তারপর আমি তোমায় বলার সুযোগ দেব।“
পাল্টা জবাবে প্রতাপ সিং বলেন, “কেন আমি ওঁর অধিকার মানব, যেখানে উনি নিজেই লোকসভার স্পিকারের অধিকার মানেন না? আমি দিশার ৪৩টি প্রকল্পের বিরুদ্ধে কোনও আলোচনার প্রতিবাদ করেছি। ১০০ শতাংশ সফল এই স্কিম। দিশা মিটিং শেষ হয়ে গেলেও, কেন্দ্রীয় সরকারের গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের নিয়ম অনুযায়ী এর চেয়ারপার্সন সুপারভাইজার থাকেন। কেন্দ্রীয় সরকার ও উত্তর প্রদেশ সরকারের দেওয়া ৪৩টি প্রোগ্রামের কেবল নজরদারি করার অধিকার রয়েছে। ওঁর উচিত যে এই ৪৩টি স্কিমের জন্য সরকারের দেওয়া টাকা সঠিকভাবে ব্যবহার হচ্ছে কি না। ওঁ ঠিক করে না গাইডলাইন পড়েন, না নিজের দলকে পড়ান। মিটিংয়ে ভুল প্রক্রিয়া হচ্ছিল, আমি তার প্রতিবাদ করেছি।”