AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

BJP on ECI Vote Chori: ‘চুরি করে জিতলে অর্ধেকেরও বেশি আসনে হারলাম কী করে?’, ভোট চুরির অভিযোগ নিয়ে কী যুক্তি বিজেপির?

Election Commission of India Controversy: মুর্শিদাবাদের শামসেরগঞ্জের উদাহরণ দেন সম্বিত পাত্র। পশ্চিমবঙ্গে এসআইআরে সবথেকে বেশি এখানের ভোটারের নামই বাদ পড়েছে। ৯১ হাজার ৭১২ ভোটারের নাম ডিলিট করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রতি তিনজনে একজন ভোটারের নাম ডিলিট হয়েছিল।

BJP on ECI Vote Chori: 'চুরি করে জিতলে অর্ধেকেরও বেশি আসনে হারলাম কী করে?', ভোট চুরির অভিযোগ নিয়ে কী যুক্তি বিজেপির?
বিজেপির মুখপাত্র সম্বিত পাত্র।Image Credit: PTI
| Updated on: Sep 23, 2026 | 6:34 PM
Share

নয়া দিল্লি: নির্বাচন কমিশনের অন্দরে বিরোধ নিয়ে রিপোর্ট সামনে আসতেই শোরগোল পড়েছে দেশজুড়ে। সুর চড়াচ্ছে বিরোধীরা। পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফেসবুক লাইভে এসে জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা ও গ্রেফতারির দাবি করেছেন। এবার বিরোধীদের এই বিতর্কে পাল্টা জবাব দিল বিজেপি।

কী বললেন সম্বিত পাত্র?

নির্বাচন কমিশন ও এসআইআর নিয়ে যে তদন্তমূলক রিপোর্ট সামনে এসেছে, তাতে বিজেপির বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে জয়ে সাহায্য করার দাবি মোটেও টিকছে না।  এ দিন বিজেপির মুখপাত্র সম্বিত পাত্র সাংবাদিক বৈঠক করে বলেন, “দাবি করা হচ্ছে যে ভোটারদের নাম ভোটার তালিকা থেকে ডিলিট হওয়ার কারণে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে জয়ী হয়েছে। যে ২০টি বিধানসভা আসনে সবথেকে বেশি সংখ্যক ভোটারের নাম ডিলিট হয়েছে, তার মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস ১৩টিতে জয়ী হয়েছে। বিজেপি ৬টি আসনে জয়ী হয়েছে। যদি আমরা ভোট চুরি করে জিততাম, তাহলে অর্ধেকেরও বেশি আসনে হেরে গেলাম কী করে?”

মুর্শিদাবাদের শামসেরগঞ্জের উদাহরণ দেন সম্বিত পাত্র। পশ্চিমবঙ্গে এসআইআরে সবথেকে বেশি এখানের ভোটারের নামই বাদ পড়েছে। ৯১ হাজার ৭১২ ভোটারের নাম ডিলিট করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রতি তিনজনে একজন ভোটারের নাম ডিলিট হয়েছিল। সেই শামসেরগঞ্জ থেকে তৃণমূল প্রার্থী মহম্মদ নূর আলম ৬১ হাজার ৯১৮ ভোটে জয়ী হয়েছেন। বিজেপি সেখানে ধারেকাছেও আসেনি।

কংগ্রেসকে আক্রমণ-

তিনি বিরোধীদের আক্রমণ করে বলেন, “২০১৪ সালে মোদীজি ক্ষমতায় আসার পর সমস্ত বিরোধীদলকে সাধারণ মানুষ রিজেক্ট করেছে। যখন কংগ্রেস বুঝতে পারল যে তারা দেশের মানুষের হৃদয় জয় করতে পারবে না, তখন তারা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকেই আক্রমণ করতে শুরু করল। ওরা ক্রমাগত নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করছে। নির্বাচন কমিশন বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে। এই নোট অনুযায়ী, সমস্ত নির্বাচন কমিশনারের মধ্যে সরকারি স্তরে আলোচনা হয়েছে, এটাই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সৌন্দর্য। সমস্ত আলোচনা-পর্যালোচনার পর সব নির্বাচন কমিশনার একই মতের জায়গায় ছিলেন।” তিনি বলেন।

সম্বিত পাত্র বলেন যে তিনি কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে রক্ষা করার জন্য এই কথা বলছেন না, বরং দেশের গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে এই কথা বলেছেন।

Follow Us