West Bengal Youth Arrested: হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পাকিস্তানি লস্কর কমান্ডার! কর্নাটকে গ্রেফতার বাংলার যুবক
Suspected LeT Links: মমতাজের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন ও অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইস খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। ওই সমস্ত ডিভাইস থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাঁর সঙ্গে সন্দেহভাজনদের যোগাযোগ এবং সম্ভাব্য ভারত-বিরোধী কার্যকলাপের যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বেঙ্গালুরু: জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার (LeT) সঙ্গে যোগাযোগ এবং ভারত-বিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগ। কর্নাটকের কালাবুরাগি জেলা থেকে পশ্চিমবঙ্গের এক যুবককে গ্রেফতার করল পুলিশ। ১৯ বছর বয়সি ওই যুবকের নাম মমতাজ-উল-মালিক। তদন্তকারীরা তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ার কার্যকলাপ, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ এবং পাকিস্তানের সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়গুলি খতিয়ে দেখছেন। তাঁর মোবাইল ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষা চলছে। পাশাপাশি, ফোন থেকে মুছে ফেলা তথ্যও পুনরুদ্ধার করে পরীক্ষা করা হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর কর্নাটকের কালাবুরাগির সরাফ বাজার এলাকার একটি সোনার দোকানে গত দেড় বছর ধরে নিজের ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করছিলেন মমতাজ। তদন্তকারীদের সন্দেহ, কাজের আড়ালে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে পাকিস্তানের লস্কর-ই-তৈবার সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন তিনি। এমনকী, দেশের কিছু সংবেদনশীল তথ্য পাচারের সঙ্গেও তাঁর যোগ থাকতে পারে বলে সন্দেহ গোয়েন্দাদের।
হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ঘিরে তদন্ত-
গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, জয়নুল আবদিন নামে এক পাকিস্তানি লস্কর-ই-তৈবা কমান্ডার মমতাজকে ‘ইমাম মাহদি’ নামে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত করেছিল। পাশাপাশি, ইনস্টাগ্রামে ‘কাশ্মীর টাইগার ৩১৩’, ‘আই লাভ পাকিস্তান, আই লাভ কাশ্মীর’ এবং ‘মেজর_ইকবাল_আইএসআই’-এর মতো একাধিক অ্যাকাউন্টও তিনি ফলো করতেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
মমতাজের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন ও অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইস খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। ওই সমস্ত ডিভাইস থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাঁর সঙ্গে সন্দেহভাজনদের যোগাযোগ এবং সম্ভাব্য ভারত-বিরোধী কার্যকলাপের যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
কর্মীদের পরিচয় যাচাইয়ে জোর কর্নাটক সরকারের-
এই ঘটনার পর কর্মীদের পরিচয় ও অতীত রেকর্ড যাচাইয়ের উপর জোর দিয়েছে কর্নাটক সরকার। রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিয়াঙ্ক খাড়্গে জানিয়েছেন, উৎসবের মরশুম শেষ হলে বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক করা হবে। কর্মীদের পুলিশি যাচাইয়ের জন্য একটি নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (SOP) তৈরির বিষয়েও আলোচনা হবে। পাশাপাশি, অন্য রাজ্য থেকে কর্মী নিয়োগের আগে তাঁদের পরিচয়, অতীত রেকর্ড এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই করে নেওয়ার জন্য নিয়োগকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
