Article 142: বাংলার এসআইআরে সুপ্রিম কোর্ট কি প্রয়োগ করবে ‘অসীম ক্ষমতা’, সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে কী বলা আছে
Supreme Court: কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্ত এই প্রসঙ্গে বলেন, "১৪২ তম অনুচ্ছেদে সুপ্রিম কোর্টকে এমন ক্ষমতা দেওয়া আছে যাতে সুপ্রিম কোর্ট আইনের যেভাবে ব্যাখ্যা দেবেন বা নির্দেশ দেবেন, তা সব আদালতের কাছে তা গ্রহণযোগ্য হবে। কিছু কিছু সময় এমন কিছু অবস্থার উদ্ভব হয়, সেখানে আইনের গণ্ডী থেকে বেরিয়ে কিছু নির্দেশ দিতে হয়।"

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের ৯০ লক্ষের বেশি মানুষের নাম বাদ পড়েছে। লক্ষ লক্ষ মানুষ ভোটার তালিকার নাম তোলার আবেদন জানিয়ে ট্রাইব্যুনালের দ্বারস্থ হয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টেও এই সংক্রান্ত মামলা চলছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের তরফে বারবার আদালতে আবেদন জানানো হয়েছে যাতে বাদ যাওয়া ভোটারদের এবার অন্তত ভোট দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। সেই আর্জি নাকচ হয়ে গিয়েছে। তবে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেছেন, ‘ভেবে দেখা হবে।’ এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে, সুপ্রিম কোর্ট কি সংবিধানের ১৪২ তম অনুচ্ছেদ প্রয়োগ করবে?
কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্ত এই প্রসঙ্গে বলেন, “১৪২ তম অনুচ্ছেদে সুপ্রিম কোর্টকে এমন ক্ষমতা দেওয়া আছে যাতে সুপ্রিম কোর্ট আইনের যেভাবে ব্যাখ্যা দেবেন বা নির্দেশ দেবেন, তা সব আদালতের কাছে তা গ্রহণযোগ্য হবে। কিছু কিছু সময় এমন কিছু অবস্থার উদ্ভব হয়, সেখানে আইনের গণ্ডী থেকে বেরিয়ে কিছু নির্দেশ দিতে হয়।”
এসআইআর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট যদি মনে করে কমপ্লিট জাস্টিস দিতে হবে, যাদের ট্রাইব্যুনালে বৈধ ভোটার বলে ঘোষণা করা হবে, তাদের নামটা নির্বাচনের তালিকায় এলে তারা ভোটাধিকার পাবে, তাহলে ১৪২ অনুচ্ছেদের বলে সুপ্রিম কোর্ট বিশেষ অধিকার প্রয়োগ করবে কি না, সেটা বিবেচনা করতে পারে।”
প্রাক্তন আমলা তথা প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ জহর সরকার বলেন, সংবিধানের ১৪২ তম অনুচ্ছেদে সুপ্রিম কোর্টকে অসীম ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। কোনও আইনে কোনও ত্রুটি বা দ্বিমত থাকলে, সেই ফাঁক পূরণ করতে পারে সুপ্রিম কোর্ট। তবে
জহর সরকারের দাবি, এ ক্ষেত্রে হাতে আর সময় নেই। তিনি বলেন, “বাস্তব অবস্থাটাও দেখতে হবে। যে কাজ হাতে নিয়েছি, তার পরিধিটা বুঝতে হবে। সুপ্রিম কোর্টকে মিসলিড করেছে কমিশন। হাতে আর সময় নেই।”
