
নয়া দিল্লি : চতুর্থ বর্ষে পা রাখতে চলেছে টিভি৯ নেটওয়ার্কের ‘হোয়াট ইন্ডিয়া থিঙ্কস টুডে সামিট ২০২৬’। দুই দিন ধরে হবে এই সম্মেলন। প্রথম দিনই প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই নিয়ে তৃতীয়বার গ্লোবাল প্ল্যাটফর্মে অংশ নিতে চলেছেন তিনি। তারকাখচিত হতে চলেছে এই সম্মেলন। প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন পাঁচ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়া, খেলাধূলা ও বিনোদন জগতের বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও উপস্থিত থাকবেন এই সম্মেলনে।
‘হোয়াট ইন্ডিয়া থিঙ্কস টুডে সামিট ২০২৬’-এ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI-তে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হবে। পাশাপাশি স্টার্টআপ, এমএইচপি দিয়ে ব্যবসা সংক্রান্ত নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।
সম্মেল্লনে কারা থাকছেন?
দুই দিনের সম্মেলন। সূচনা হচ্ছে ২৩ মার্চ। প্রথম দিন উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। অন্যদিকে, ২৪ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে ‘সত্তা সম্মেলন’। এই সম্মেলনে দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, বিনোদন ও ক্রীড়া জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা অংশ নেবেন। মঞ্চে উপস্থিত থাকবেন পাঁচ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও। বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরবেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব, উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি, রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী ভজনলাল শর্মা, তেলাঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি ও পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান। এছাড়াও থাকছেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব, পীযূষ গোয়েল, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া ও প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। কর্ণাটকের উপমুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার, সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব এবং AIMIM প্রধান আসাউদ্দিন ওয়েইসিও অংশ নেবেন সামিটে।
বিনোদন ও খেলাধূলা জগতের বিশিষ্টরা
শুধু রাজনীতি নয়, বিনোদন ও সাহিত্য জগত থেকেও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নিচ্ছেন সম্মেলনে। গীতিকার সমীর অঞ্জন, লেখক নীলেশ মিশ্র, কবি যতীন্দ্র মিশ্র ও কুমার বিশ্বাস। ক্রীড়া জগত থেকে অংশ নিচ্ছেন ক্রিকেটার অক্ষর প্যাটেল, অর্শদীপ সিং, ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় এবং ক্রিকেটার দীপ্তি শর্মা। এছাড়াও উপস্থিত থাকবেন যোগগুরু বাবা রামদেব।
টিভি৯ নেটওয়ার্কের এমডি ও সিইও বরুণ দাস জানিয়েছেন, বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও ভূ-রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেও ভারত একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে। তবে জ্বালানি নিরাপত্তা এখনও বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। যা বৈশ্বিক উন্নয়নে প্রভাব ফেলতে পারে।