
নয়া দিল্লি : টিভি৯ নেটওয়ার্কের হোয়াট ইন্ডিয়া থিঙ্কস টুডে সামিট ২০২৬ শুরু হয়েছে সোমবার। সামিটের শুরুর দিনই ভারতের অর্থনীতি ও ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় বার্তা দিলেন মাই হোম গ্রুপের এগজ়িকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান রামু রাও জুপ্পলি। তিনি বলেন, “বিশ্ব এখন এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। নানা সংকটের কারণে গোটা বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। ভারতও এর বাইরে নয়। তবে কাজের ধরন আর দৃঢ় সংকল্প এই দুইয়ের মাধ্যমে ভারত নিজেকে স্বতন্ত্র করে তুলেছে গোটা বিশ্বের কাছে।”
রামু রাও জুপ্পলির মতে, প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে যুবসমাজ আবারও স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে । তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আজ বিশ্ব ভারতের যুবসমাজকে আশা ও ভরসার চোখে দেখছে। গণতন্ত্র, জনসংখ্যা এবং বৈচিত্র্যের শক্তিই ভারতের সবচেয়ে বড় সম্পদ।”
ইতিহাস রচনা করেছে ভারতের অর্থব্যবস্থা
রামু রাও জুপ্পলি জানিয়েছেন, ভারতের অর্থব্যবস্থা ইতিহাস রচনা করেছে। তিনি বলেন,”ভারত দ্রুত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হয়ে ওঠার পথে এগোচ্ছে। এটিই এক মাত্র উল্লেখযোগ্য অর্থব্যবস্থা যেখানে বার্ষিক ৭ শতাংশ হারে বৃদ্ধি হচ্ছে।” ভারতের “ডিজিটাল ফার্স্ট” মডেলকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। এই বিষয়ে তিনি বলেন, “এই মডেল বিশ্বজুড়ে প্রতিভা খুঁজে বের করতে সাহায্য করছে এবং দেশের ব্যবসা ও জীবনযাত্রার মান উন্নত করছে।”
ভারত প্রতিভাদের কেন্দ্র
বিশ্বজুড়ে দক্ষ কর্মীর ঘাটতি রয়েছে। তবে, ভারতই একমাত্র দেশ, যা বৃহৎ পরিসরে সেই চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম। ভারতে অনেক প্রতিভা রয়েছে। ভারত প্রতিভাদের প্রধান কেন্দ্র।
ভারতের শক্তির সাতটি মূল স্তম্ভের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর মতে, প্রতিটি স্তম্ভের ভিত্তি গড়ে উঠেছে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে নেওয়া বেশ কিছু নীতিগত উদ্যোগের ফলে।
তিনি আরও বলেন, “শুধু দেশ নয়, বিশ্বজুড়েও ভারতীয় প্রতিভার প্রতি আস্থা বাড়ছে। নয়া দিল্লিতে ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়নের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার সময়ও এই আস্থার প্রতিফলন দেখা গিয়েছে।”
বিশ্বমঞ্চে ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন তিনি। রামু রাও জুপ্পলি বলেন, “ভারতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হল বুদ্ধিমত্তা, সৃজনশীলতা, সততা এবং প্রভাব। শেষে ভারতকে বিশ্বের ‘ট্যালেন্ট ক্যাপিটাল’ হিসেবে গড়ে তুলতে সকলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।