রূপে-গুণে সেরা! মানতে পারেনি প্রেমিক অন্য কাউকে বিয়ে করেছে, প্রতিশোধ নিতে চিকিৎসকের গায়ে ফুটিয়ে দিল HIV নমুনার ইঞ্জেকশন!

Revenge Story: একটি সরকারি হাসপাতালে এইচআইভি আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা করাতে এসেছিলেন, তাঁর রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে। অভিযুক্তরা বলেছিল যে গবেষণার জন্য রক্তের নমুনা সংগ্রহ করেছিল। ফ্রিজে সেই রক্তের নমুনা রেখে দিয়েছিল। সেই রক্তই হামলার সময় অভিযুক্তরা চিকিৎসকের শরীরে ইঞ্জেকশন ফুটিয়ে দেয়।   

রূপে-গুণে সেরা! মানতে পারেনি প্রেমিক অন্য কাউকে বিয়ে করেছে, প্রতিশোধ নিতে চিকিৎসকের গায়ে ফুটিয়ে দিল HIV নমুনার ইঞ্জেকশন!
প্রতীকী চিত্র।Image Credit source: Pixabay

|

Jan 26, 2026 | 2:09 PM

অমরাবতী: প্রতিহিংসার ভয়ঙ্কর ছবি। চিকিৎসকের গায়ে ফুটিয়ে দেওয়া হল এইচআইভি ইঞ্জেকশন। মারণ এই সংক্রামক রোগের কোনও চিকিৎসা নেই- এ কথা জেনেই ইঞ্জেকশন দেওয়া হয় মহিলা চিকিৎসককে। ভয়ঙ্কর এই ঘটনায় ইতিমধ্যে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, অন্ধ্র প্রদেশের কুর্নুলে এই ঘটনা ঘটেছে। যে মহিলা চিকিৎসকের শরীরে ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়েছে, তার স্বামীর উপরে রাগ ছিল অভিযুক্তদের। তাদের মধ্যে একজন মহিলা রয়েছেন, তিনি ওই চিকিৎসকের স্বামীর প্রাক্তন প্রেমিকা।

গত ২৪ জানুয়ারি অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে পুলিশ। অভিযুক্তদের নাম বি বোয়া বসুন্ধরা (৩৪) ও কোঙ্গে জ্যোতি (৪০)। তারা একটি প্রাইভেট হাসপাতালে নার্সের কাজ করেন। বাকি দুই অভিযুক্ত বছর কুড়ির।

জানা গিয়েছে, অভিযুক্তরা ষড়যন্ত্র করে দুর্ঘটনার নাটক করে। ওই চিকিৎসককে বাঁচানোর নাম করে তাঁর গায়ে ওই এইচআইভি সংক্রমিত ইঞ্জেকশন দিয়ে দেয়। গত ৯ জানুয়ারি দুপুর আড়াইটে নাগাদ যখন ওই মহিলা চিকিৎসক স্কুটারে করে বাড়ি ফিরছিলেন, তখন দুই যুবক ইচ্ছাকৃতভাবে বাইক দিয়ে ধাক্কা মারে। ওই চিকিৎসক পড়ে যান। তখন অভিযুক্ত নার্স আসেন ওই চিকিৎসককে সাহায্য করতে। অটোয় তোলার সময়ই অভিযুক্ত ওই চিকিৎসকের গায়ে ইঞ্জেকশন ফুটিয়ে দেয়। এই চিকিৎসক চিৎকার করতেই অভিযুক্ত পালিয়ে যায়।

কেন এমন করল?

জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত মহিলা মানতে পারেননি যে তাঁর প্রাক্তন প্রেমিক অন্য কাউকে বিয়ে করেছে। তাদের আলাদা করতেই এই ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা করে।  প্রতিশোধ নিতে তারা এইআইভি আক্রান্তকে খুঁজে বের করে।

একটি সরকারি হাসপাতালে এইচআইভি আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা করাতে এসেছিলেন, তাঁর রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে। অভিযুক্তরা বলেছিল যে গবেষণার জন্য রক্তের নমুনা সংগ্রহ করেছিল। ফ্রিজে সেই রক্তের নমুনা রেখে দিয়েছিল। সেই রক্তই হামলার সময় অভিযুক্তরা চিকিৎসকের শরীরে ইঞ্জেকশন ফুটিয়ে দেয়।

আক্রান্ত চিকিৎসকের স্বামীও পেশায় একজন চিকিৎসক। তিনি পরেরদিনই, ১০ জানুয়ারি পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তদের।