Kolkata: ভাইয়ের বন্ধুর সঙ্গে প্রেম, নারকেলডাঙায় তরুণীকে খুনে সামনে এল নয়া তথ্য
Young woman killed in Kolkata: প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, বছর দুয়েক ধরে শিবতলা লেনে ভাড়াবাড়িতে রয়েছে পুষ্পার পরিবার। বুধবার পুষ্পার ভাই হন্তদন্ত হয়ে রুম থেকে বেরিয়ে যান। এরপর প্রতিবেশীরা পুষ্পাকে ডাকাডাকি করেন। কিন্তু, কোনও সাড়াশব্দ পাননি। তখন তাঁরা রুমে গিয়ে দেখেন, কম্বল চাপা দেওয়া অবস্থায় পড়ে রয়েছেন পুষ্পা। তাঁকে এনআরএস হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

নারকেলডাঙা: হন্তদন্ত হয়ে রুম থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন ভাই। তারপরই কম্বল চাপা অবস্থায় তরুণীর দেহ উদ্ধার হয়। প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, তরুণীকে কি খুন করে পালিয়েছেন তাঁর ভাই-ই? নারকেলডাঙার শিবতলা লেনে এই খুনের ঘটনায় এবার নয়া তথ্য সামনে এল। পুষ্পা কুমারী নামে ওই তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল তাঁর ভাইয়ের বন্ধুর। নিজের বন্ধুর সঙ্গে দিদির সম্পর্ক মানতে পারেননি ভাই। সেই সম্পর্কের জেরেই পুষ্পা কুমারীকে খুন করে তাঁর ভাই পালিয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তরুণীর ভাইয়ের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে।
তরুণীকে খুনের নেপথ্যে কী কারণ?
পরিবারের সঙ্গে কথা বলে প্রাথমিকভাবে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, বিগত বছরখানেক ধরে ভাইয়ের বন্ধুর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল পুষ্পার। তরুণীর ভাই সম্পর্কের কথা জানতে পেরে বাধা দেন। পুষ্পাকে তাঁর ভাই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার জন্য চাপ দিতে থাকেন। অন্যদিকে পুস্পার ভাইও তাঁর বন্ধুর সঙ্গেও অশান্তি করে সম্পর্ক ছিন্ন করেন।
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়াতে পুষ্পা বেশ কিছু পোস্ট করেন। সেই সব পোস্ট দেখে বন্ধুর সঙ্গে দিদির সম্পর্ক যে এখনও আছে, তা বুঝতে পারেন পুষ্পার ভাই। বন্ধুর সঙ্গে দিদির সম্পর্ক মেনে নিতে না পেরেই কি খুন? এই প্রশ্নের উত্তরই খুঁজছেন তদন্তকারীরা। বুধবার অর্থাৎ ঘটনার দিন দুপুরে পুষ্পার ভাইকে বাড়িতে ঢুকতে দেখা যায় বলে প্রতিবেশীদের কাছ থেকে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। তারপর থেকেই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ পুষ্পার ভাই। তাঁদের বক্তব্য, তরুণীর পলাতক ভাইকে পাওয়া গেলেই অনেক প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে।

মৃত পুষ্পা কুমারী
প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, বছর দুয়েক ধরে শিবতলা লেনে ভাড়াবাড়িতে রয়েছে পুষ্পার পরিবার। বুধবার পুষ্পার ভাই হন্তদন্ত হয়ে রুম থেকে বেরিয়ে যান। এরপর প্রতিবেশীরা পুষ্পাকে ডাকাডাকি করেন। কিন্তু, কোনও সাড়াশব্দ পাননি। তখন তাঁরা রুমে গিয়ে দেখেন, কম্বল চাপা দেওয়া অবস্থায় পড়ে রয়েছেন পুষ্পা। তাঁকে এনআরএস হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, গলায় কিছু আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। শ্বাসরোধ করে তরুণীকে খুন করা হয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান তদন্তকারীদের।
