AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

India-Bangladesh: দুঃসময়ে বাংলাদেশের পাশে ভারত, ৫০০০ টন তেল দিচ্ছে ঢাকাকে

বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম বণিক বার্তার একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের সরকার দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছে। কিন্তু জ্বালানি একমাত্র আশঙ্কার জায়গা নয়, আতঙ্ক তৈরি হয়েছে খাদ্য সংকট নিয়েও। ওয়াকিবহাল মনে করছে, ইরান-ইজরায়েলের যুদ্ধ এই ভাবেই চলতে থাকলে বাংলাদেশে খাদ্যপণ্যের সংকট আসন্ন।

India-Bangladesh: দুঃসময়ে বাংলাদেশের পাশে ভারত, ৫০০০ টন তেল দিচ্ছে ঢাকাকে
ডিজেল পাঠাচ্ছে ইন্ডিয়াImage Credit: PTI
| Updated on: Mar 10, 2026 | 10:36 PM
Share

নয়া দিল্লি: যুদ্ধ-যুদ্ধ পরিস্থিতি চলছে মধ্য প্রাচ্যে। গোটা বিশ্বেই প্রায় জ্বালানি সঙ্কটের এক প্রবল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এমনকী, ভারতেও গ্যাসের সমস্যা উত্তরোত্তর বাড়ছে। তবে এই পরিস্থিতির মধ্যেও বাংলাদেশের হাত ছাড়ল ভারত। দুঃসময়ে সে দেশে পাঁচ হাজার টন ডিজ়েল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন-এর মাধ্যমে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর এক কর্তা জানিয়েছেন, সোমবার বিকেল ৩টে বেজে ২০ মিনিটে ভারতের অসমের নুমালিগড় তৈলশোধনাগার থেকে ডিজেল পাম্পিং শুরু হয়েছে। পাইপলাইনের মাধ্যমে পাঠানো এই জ্বালানি প্রায় ৪৪ ঘণ্টার মধ্যে বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার পর্বতপুরী ডিপোতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। তিনি আরও জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার মধ্যে দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে এই পাইপলাইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ভারত থেকে সরাসরি পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি আমদানি হওয়ায় পরিবহন খরচ ও সময় দুটোই কমছে।

এখানে উল্লেখ্য, ইউনূসের সময় বিবিধ ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হয়। সেই সময় ডিজেলের রফতানি বন্ধ রাখা হয়েছিল ভারতের পক্ষ থেকে। পরবর্তীতে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর দু’দেশের সম্পর্ক ধীরে-ধীরে মজবুত হচ্ছে। আর এরই মধ্যে বাংলাদেশে ডিজেল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে জ্বালানি সহযোগিতা জোরদার করতে তৈরি হয়েছিল ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন প্রকল্প। এটি দুই দেশেরই অর্থনৈতিক ও জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। এর মাধ্যমে নিয়মিতভাবে ডিজেল সরবরাহ করা সম্ভব হয়।

বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম বণিক বার্তার একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের সরকার দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছে। কিন্তু জ্বালানি একমাত্র আশঙ্কার জায়গা নয়, আতঙ্ক তৈরি হয়েছে খাদ্য সংকট নিয়েও। ওয়াকিবহাল মনে করছে, ইরান-ইজরায়েলের যুদ্ধ এই ভাবেই চলতে থাকলে বাংলাদেশে খাদ্যপণ্যের সংকট আসন্ন। আর সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে বাংলাদেশের কাছে একমাত্র পন্থা হতে পারে ভারতের দ্বারস্থ হওয়া।

বস্তুত, আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ হতেই হরমুজ় প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল একপ্রকার বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। আর এর জেরেই সমস্যায় প্রায় গোটা বিশ্ব। কারণ, গোটা বিশ্বের ২০ শতাংশই তেল যায় এই হরমুজ় প্রণালী দিয়ে। তবে হামলার আশঙ্কায় বিভিন্ন দেশের তেলের ট্যাঙ্কার আর জাহাজগুলি লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে।

Follow Us