AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

BJP Victory in West Bengal: বিজেপির জয়ের পরদিন কী কী পরিবর্তন দেখা গেল?

BJP Victory Impact: গেরুয়া ঝড়ের পর দিকে দিকে তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক দলীয় দফতর থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তালা মেরে দেন অতি উৎসাহী বেশ কয়েকজন। বাদ যায়নি দমদম। দমদমের বেশ কিছু জায়গায় রাতের বেলা তালা মেরে দেন বেশ কিছু অতি উৎসাহী। সেই খবর পেয়েই মঙ্গলবার সকালে দমদমের জয়ী বিজেপি প্রার্থী অরিজিৎ বক্সী দলীয় কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে এসে সেই সমস্ত তালা খুলে দেন।

BJP Victory in West Bengal: বিজেপির জয়ের পরদিন কী কী পরিবর্তন দেখা গেল?
কী কী ছবি দেখা গেল?Image Credit: TV9 Bangla
| Updated on: May 05, 2026 | 9:06 PM
Share

কলকাতা: বঙ্গে গেরুয়া ঝড়। ১৫ বছরের তৃণমূল সরকারের পতন হয়েছে। এখনও অবশ্য সরকার গঠন করেনি বিজেপি। কিন্তু, গতকাল বিজেপি ২০০ আসনের বেশি পাওয়ার পর মঙ্গলবার রাজ্যে বেশ কিছু বদলের ছবি দেখা গেল। একদিকে, দলের সমর্থকদের সংযত থাকার বার্তা দিলেন বিজেপি নেতারা। আবার কোথাও দেখা গেল, স্বয়ং জয়ী বিজেপি প্রার্থী পৌর পরিষেবা কেন্দ্রে লাগানো বিজেপির পতাকা খোলার নির্দেশ দিচ্ছেন। কী কী ছবি দেখা গেল এদিন?

সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে মমতার বাড়ির সামনে থেকে সরল গার্ডরেল-

১৫ বছর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কালীঘাটে তাঁর বাড়ির সামনের রাস্তায় এতদিন গার্ডরেল থাকত। এতে অসুবিধায় পড়তেন সাধারণ মানুষ। গতকাল বিজেপির জয়ের পর এদিন সেই সেই গার্ডরেল সরানো হয়।

৩০বি, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট মমতার পৈতৃক বাড়ি। রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকে মুখ্যমন্ত্রী হওয়া পর্যন্ত, তাঁর সেই বাড়িতে খুব  বেশি বদল হয়নি। তবে বদলে গিয়েছিল হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের পরিবেশ। প্রথম দিকে তেমন কোনও বদল হলেও, ২০১৬-র পর মমতার বাড়ির নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়। পরে তাঁর বাড়ির সামনের রাস্তাটা কার্যত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। মেইন রোড থেকে ঢুকতে গেলেও গার্ডরেল পেরতে হত। এবার গার্ডরেল সরল। তবে আগের মতোই পুলিশ বহাল রয়েছে।

কর্মীদের সংযত থাকার বার্তা বিজেপি প্রার্থীর-

গতকাল বিজেপির জয়ের পর মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে পৌর পরিষেবা কেন্দ্রের দখল নিয়েছিলেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। ঘটনাস্থলে গিয়ে বিজেপির পতাকা খোলার নির্দেশ দিলেন জয়ী বিজেপি প্রার্থী সুব্রত মৈত্র। কোন দলীয় কার্যালয় দখল করা যাবে না, কোথাও ভাঙচুর করা যাবে না বলে কড়া বার্তা দেন তিনি। তৃণমূলের কার্যালয় দখল, ভাঙচুরের অভিযোগ নিয়ে বহরমপুরের জয়ী বিজেপি প্রার্থী সুব্রত মৈত্র বলেন, “জয় শ্রীরামের তিলক লাগিয়ে কেউ কেউ এই কাজ করছে। এ কাজ বিজেপি সমর্থন করে না।”

তৃণমূলের দলীয় অফিসের তালা খুলে দিলেন জয়ী বিজেপি প্রার্থী-

গতকাল গেরুয়া ঝড়ের পর দিকে দিকে তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক দলীয় দফতর থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তালা মেরে দেন অতি উৎসাহী বেশ কয়েকজন। বাদ যায়নি দমদম। দমদমের বেশ কিছু জায়গায় রাতের বেলা তালা মেরে দেন বেশ কিছু অতি উৎসাহী। সেই খবর পেয়েই মঙ্গলবার সকালে দমদমের জয়ী বিজেপি প্রার্থী অরিজিৎ বক্সী দলীয় কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে এসে সেই সমস্ত তালা খুলে দেন। দমদম লক্ষ্মীনগর প্রাইভেট রোডে একটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে তালা মেরে দেন কয়েকজন যুবক। এদিন তালা নিজের হাতে খুলে দেন অরিজিৎ বক্সী। তারপর দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে তাঁর কড়া বার্তা, দল এই ধরনের কোনও বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করবে না। যারা এই ধরনের কাজ করছে প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে দল কোনওরকমভাবে পাশে দাঁড়াবে না।

অটোস্ট্যান্ড, টোটোস্ট্যান্ড বিজেপিময়-

গতকাল বিজেপির জয়ের পর এদিন বিভিন্ন জায়গায় অটোস্ট্যান্ড, টোটোস্ট্যান্ডগুলিতে বিজেপির পতাকায় ছেয়ে যায়। অটোচালক ও টোটোচালকরা গেরুয়া আবির মেখে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

বিজেপির জয়ে ২৮ বছর পর জুতো পরলেন বৃদ্ধ-

দীর্ঘ ২৮ বছরের কঠোর প্রতিজ্ঞা আর এক বুক অভিমান নিয়ে খালি পায়েই দিন কাটাতেন তিনি। অবশেষে ৭২ বছর বয়সে এসে তাঁর পায়ে উঠল নতুন চটি। রাজনীতির লড়াইয়ে হেরে গিয়ে যে অপমান তিনি পেয়েছিলেন, আজ সেই রাজনীতির ময়দানেই নিজের জেদ পূরণ করে নজির গড়লেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীর বাসিন্দা আঙুরবালা সাউ।

‘বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত নয়’, বার্তা বিজেপির-

বিশৃঙ্খলা কোনওমতেই বরদাস্ত করা হবে না। জয়ের পরই কড়া বার্তা দিয়েছেন চুঁচুড়ার বিজেপি প্রার্থী সুবীর নাগ। এদিন সেই নির্দেশ টোটো করে মাইক প্রচার করছে চুঁচুড়ার বিজেপি নেতৃত্ব।

বিজেপি জিততেই বন্ধ তোলাবাজি-

২৪ ঘণ্টায় সব বদলে গিয়েছে। অবাক বাস মালিকরা। যেখানে প্রতিদিন তাঁদের ৩০০ টাকা পর্যন্ত ‘তোলা’ দিতে হত। মঙ্গলবার বাস টার্মিনালে এসে তাঁরা দেখেন, পার্কিংয়ের জন্য শুধুমাত্র ৩০ টাকা দিতে হচ্ছে। কীভাবে সম্ভব হল? বাস মালিকরা বলছেন, সবই সম্ভব হয়েছে রাজ্যে পালাবদলের জেরে। বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতেই বাস টার্মিনাল থেকে হাওয়া হয়ে গিয়েছেন তোলাবাজরা। বাস টার্মিনাল থেকে যে তোলা নেওয়া হত, তা স্বীকার করছেন স্বয়ং তৃণমূলের নেত্রী তথা বাস মিনি বাস অপারেটর ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদিকা। ঘটনাটি হুগলির আরামবাগের।

Follow Us