Anganwadi Worker Protest: অঙ্গনওয়াড়ি নিয়োগেও বেনিয়মের অভিযোগ রাজ্যের বিরুদ্ধে! পথে নামলেন মহিলারা
Kolkata: মূলত, কেন্দ্রের নির্দেশ আছে সুপারভাইজার পদে ৫০ শতাংশ নিয়োগ হবে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের মধ্যে থেকে। আর ৫০ শতাংশ নিয়োগ পাবেন ফ্রেশাররা। সেই মতোই বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্য। অভিযোগ, আসন বণ্টনের সময় দেখা যায় বাড়তি আসন বরাদ্দ ফ্রেশারদের জন্য।

কলকাতা: চাকরি হারানোর আতঙ্কে ভুগছেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে সুপারভাইজার পদে নিয়োগে বেনিয়মের অভিযোগ উঠছে রাজ্যের বিরুদ্ধে। মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যানেল থেকে নিয়োগ অঙ্গনওয়াড়িতেও বলে দাবি একাংশ অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের।
মূলত, কেন্দ্রের নির্দেশ আছে সুপারভাইজার পদে ৫০ শতাংশ নিয়োগ হবে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের মধ্যে থেকে। আর ৫০ শতাংশ নিয়োগ পাবেন ফ্রেশাররা। সেই মতোই বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্য। অভিযোগ, আসন বণ্টনের সময় দেখা যায় বাড়তি আসন বরাদ্দ ফ্রেশারদের জন্য। বিক্ষোভরত অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের দাবি ৮৭ শতাংশ আসনই দেওয়া হয়েছে ফ্রেশারদের। জল গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টে। তবে হাইকোর্ট রায় হয় ৫০ শতাংশ নিয়োগই দিতে হবে। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা হয় সুপ্রিম কোর্টে। সেই মামলা বিচারাধীন। তার মধ্যেই ফ্রেশারদের নিয়োগ করছে রাজ্য বলে অভিযোগ।
এক অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী বলেন, “আমরা অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী। ২০১৯ সালে যে বিজ্ঞপ্তি বেরিয়েছিল সুপারভাইজারের তাতে অংশগ্রহণ করেছিলাম। পুরো ভ্যাকেন্সির ৫০ শতাংশ আমাদের থেকেই নিয়োগ করতে হবে এটাই অর্ডার আছে কেন্দ্রের। আমরা পরীক্ষায় বসি। আমাদের মাত্র ৪২২, আর ফ্রেশারদের ৮৮.৫ শতাংশ নেওয়ার কথা ডিপার্টমেন্ট বলেছে। আমরা কেস করি। আমরা সিঙ্গেল বেঞ্চ-ডিভিশন বেঞ্চে যাই। তাতে জিতি। কিন্তু সরকার কোর্টের নির্দেশ মানছে না। ওঁরা সুপ্রিম কোর্টে চলে গেছে। এখনও কোর্ট নির্দেশ দেয়নি, তার আগেই ওরা ফ্রেশারদের জয়েনিং দিয়ে দিলেন অবৈধ ভাবে। আমরা চাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এগুলো দেখুন। যাঁদের বয়স হয়েছে তাঁদের তো আর সুযোগও নেই, চাকরিও হয়ত থাকবে না।”
আইনজীবী আশিস চৌধুরী বলেন, “যে মামলাটি বিচারাধীন আছে সেখানে একটা নির্দেশ না আসা অবধি তার আগেই সিট ফিলআপ করতে চাইছে। অথচ যাঁরা আইসিডিএস কর্মী তাঁরা ১৫ থেকে ১০ বছরের বেশি কাজ করেছেন। তাঁদের দীর্ঘদিন নিয়োগ হয়নি, অনেকের বেশি বয়স। এটা তাঁদের শেষ সুযোগ। ওঁরা তো আর পরীক্ষায় বসতেও পারবে না।”
