Abhishek Banerjee: ‘যতদিন মানুষ বঞ্চিত, রাস্তায় থাকবে তৃণমূল’, কমিশনের ফুল বেঞ্চ আসার আগে তোপ অভিষেকের
Abhishek Banerjee On SIR: এর আগেও একাধিক ভাষায় নির্বাচন কমিশনকে তোপ দেগেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, “নির্বাচন কমিশন যদি নিরপেক্ষভাবে কাজ না করে, তাহলে গণতন্ত্র বিপদের মুখে পড়বে।ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হলে আমরা তা মেনে নেব না।” তিনি সরাসরি চ্যালেঞ্জ করেছিলেন, “কমিশনকে পরিষ্কার করে বলতে হবে কেন এই প্রক্রিয়ায় এত মানুষের নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।"

কলকাতা: নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ বাংলায় আসার আগে তোপ তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাঁর অভিযোগ, অপরিকল্পিত এসআইআর-এর জন্য বহু বৈধ নাম বাদ গিয়েছে। যতদিন মানুষ বঞ্চিত থাকবে, ততদিন তৃণমূল রাস্তায় থাকবে। মুখ্যমন্ত্রীর ধরনা মঞ্চ থেকে অভিষেক বলেন, “ইতিমধ্যেই বাংলা থেকে ৫৮ লক্ষ ভোটারের নাম কাটা হয়েছিল। ডিসেম্বর মাসে যখন ড্রাফট ভোটার লিস্ট বেরিয়েছিল। ২৮ ফেব্রুয়ারি যে তালিকা প্রকাশিত হল, সেখানে অতিরিক্ত সাড়ে পাঁচ লক্ষ থেকে ছ’লক্ষ মানুষের নাম কাটা হয়েছে। সংখ্যাটা ৬৩-৬৪ লক্ষ। আর বিচারাধীন রয়েছে ৬০ লক্ষের ওপর। সংখ্যাটা ১ কোটি ২৪ লক্ষ।”
তাঁর বক্তব্য, এসআইআর ঘোষণা হওয়ার তিন মাস আগে থেকে বিজেপি নেতারা দাবি করে আসছিলেন, ১ কোটির ওপর লোকের নাম বাদ যাবে। অভিষেকের কথায়, ‘এটা তো কাকতালীয় হতে পারে না।’ তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে কাউকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে। সেক্ষেত্রে অভিষেক বলেন, “কাগজ জমা দেওয়ার পরও বিচারাধীন।”
এর আগেও একাধিক ভাষায় নির্বাচন কমিশনকে তোপ দেগেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, “নির্বাচন কমিশন যদি নিরপেক্ষভাবে কাজ না করে, তাহলে গণতন্ত্র বিপদের মুখে পড়বে।ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হলে আমরা তা মেনে নেব না।” তিনি সরাসরি চ্যালেঞ্জ করেছিলেন, “কমিশনকে পরিষ্কার করে বলতে হবে কেন এই প্রক্রিয়ায় এত মানুষের নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।” এসআইআর-এর প্রতিবাদ করতে দিল্লি পর্যন্ত গিয়েছিলেন অভিষেক। CEC-জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন।
প্রসঙ্গত, চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে ভোট ঘোষণা হবে বলে সূত্রের খবর। তার আগেই কলকাতায় আসছে কমিশনের ফুল বেঞ্চ। আগামী ৮ মার্চ অর্থাৎ রবিবার রাতে কলকাতায় আসবেন কমিশনের প্রতিনিধিরা। ৯ মার্চ (সোমবার) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত জাতীয় বা রাজ্যের স্বীকৃত রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে ওই প্রতিনিধি দলের বৈঠক হবে।
