Baruipur Encounter Case: ঠিক কী ঘটেছিল? বারুইপুর এনকাউন্টারকাণ্ডে এবার বড় নির্দেশ হাইকোর্টের
Baruipur Encounter Case High Court: রাজ্য জানায়, তারা সব কিছু আগেই সংরক্ষণ করেছে। ৩ সপ্তাহ পর ফের মামলার শুনানি। গত জুলাইয়ে বারুইপুরের সূর্যপূর এলাকায় এক নাবালিকা নিখোঁজ হয়ে যায়। পরে তার দেহ উদ্ধার হয় এলাকারই একটি পুকুর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায়। তার পর থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বারুইপুর।

কলকাতা: বারুইপুর এনকাউন্টার কাণ্ডে সব নথি, তথ্য, সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ঘটনায় বারুইপুর পুলিশ সুপারের রিপোর্ট মামলাকারীদের দেওয়ায় আপত্তি রাজ্যের। এনকাউন্টার কাণ্ডে রিপোর্ট তাই হলফনামা আকারে দিতে নির্দেশ রাজ্যকে। ১০ দিনের মধ্যে হলফনামা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অরিজিৎ বন্দোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চের। রাজ্যের হলফনামা পেলে মামলাকারীদের তার জবাব থাকলে দিতে নির্দেশ ডিভিশন বেঞ্চ।
রাজ্য জানায়, তারা সব কিছু আগেই সংরক্ষণ করেছে। ৩ সপ্তাহ পর ফের মামলার শুনানি। গত জুলাইয়ে বারুইপুরের সূর্যপূর এলাকায় এক নাবালিকা নিখোঁজ হয়ে যায়। পরে তার দেহ উদ্ধার হয় এলাকারই একটি পুকুর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায়। তার পর থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বারুইপুর।
নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় প্রভাস মণ্ডল, দিবাকর সর্দার, আনন্দ সর্দার এবং কবীর মোল্লাকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। প্রথমে প্রভাসকে গ্রেফতার করা হয়। প্রভাসই দেখিয়ে দেন, নাবালিকার দেহ কোথায় ফেলে দেওয়া হয়েছে। প্রভাস, আনন্দ এবং দিবাকরকে প্রথমে গ্রেফতার করা হয়। পরে গ্রেফতার হন কবীর। গত ৭ জুলাই রাতে প্রভাসকে নিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণে বেরিয়েছিল পুলিশ। দাবি, সেই সময় পুলিশের অস্ত্র ছিনতাই করে পালানোর চেষ্টা করেন প্রভাস। গুলিও চালান বলে দাবি পুলিশের। আত্মরক্ষায় পাল্টা গুলি চালায় পুলিশও।
পুলিশ জানায়, নিজেকে এবং সহকর্মীদের বাঁচাতে সার্ভিস রিভলভার দিয়ে প্রভাসকে লক্ষ্য করে গুলি চালান বারুইপুর থানার পিসি ইনচার্জ অর্ঘ্য মণ্ডল। যদিও এই এনকাউন্টার নিয়ে একাধিক প্রশ্ন ওঠার পর রাজ্য পুলিশের সিআইডি-কে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।
