Samrat Barua Arrest: সিভিক ভলান্টিয়ার থেকে কাউন্সিলর, এবার পুলিশের জালে দেবরাজের ‘ডান হাত’ সম্রাট
TMC Councillor Samrat Barua arrested: দেবরাজের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগে লাগাতার সরব হয়েছেন রাজারহাট-গোপালপুরের বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। তাঁর বক্তব্য, এইসব সঙ্গীরা চুনোপুঁটি। তোলাবাজির মাথা হলেন দেবরাজ। আর দেবরাজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে উল্লেখ করেন তিনি। দেবরাজ খুব শীঘ্রই গ্রেফতার হবেন বলে তিনি মন্তব্য করেছিলেন। সিভিক ভলেন্টিয়ার থেকে কাউন্সিলর, রকেট গতিতে উত্থান। দমদম এবং ব্যারাকপুর জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি দেবরাজ চক্রবর্তী কাছের ছেলে সম্রাট বড়ুয়া ওরফে রাখাল।

কলকাতা: তোলাবাজি-সহ নানা অভিযোগ। বিধাননগর পৌরনিগমের একের পর এক কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করছে পুলিশ। সেই তালিকায় এবার নয়া সংযোজন বিধাননগর পৌরনিগমের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সম্রাট বড়ুয়া। তোলাবাজি, দখলদারি অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করল বাগুইহাটি থানার পুলিশ। এই সম্রাট বড়ুয়া ওরফে রাখাল বিধাননগর পৌরনিগমের মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তীর ‘ডান হাত’ হিসেবেই পরিচিত।
একসময় সিভিক ভলান্টিয়ার ছিলেন সম্রাট। দেবরাজের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তাঁর প্রভাবের কথা শোনা যেত। সিভিক ভলান্টিয়ার বিধাননগর পৌরনিগমের নির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে জিতে কাউন্সিলর হন। এলাকায় কান পাতলেই শোনা যায়, দেবরাজের ঘনিষ্ঠ হিসেবে রকেট গতিতে উত্থান হয় সম্রাটের। তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজি, দখলদারির অভিযোগ উঠে। রাজ্যে পালাবদল হতেই সম্রাটকে গ্রেফতার করা হল তোলাবাজি, দখলদারির অভিযোগেই। তিনদিন আগে দেবরাজের আর এক ছায়াসঙ্গী অমিত চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এক প্রোমোটারকে মারধর ও তোলাবাজির অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
এর আগে বিধাননগর পৌরনিগমের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সমরেশ চক্রবর্তী, ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুশোভন মণ্ডল এবং ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রঞ্জন পোদ্দারকে একাধিক অভিযোগে পাকড়াও করেছে পুলিশ।
দেবরাজের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগে লাগাতার সরব হয়েছেন রাজারহাট-গোপালপুরের বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। তাঁর বক্তব্য, এইসব সঙ্গীরা চুনোপুঁটি। তোলাবাজির মাথা হলেন দেবরাজ। আর দেবরাজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে উল্লেখ করেন তিনি। দেবরাজ খুব শীঘ্রই গ্রেফতার হবেন বলে তিনি মন্তব্য করেছিলেন।
এদিকে, দেবরাজের স্ত্রী অদিতি মুন্সির বিরুদ্ধে হলফনামায় সম্পত্তি নিয়ে তথ্য গোপন করার অভিযোগ উঠেছে। গ্রেফতারির আশঙ্কায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন দেবরাজ ও অদিতি। সেই মামলার শুনানিতে এদিন রাজ্যের আইনজীবী হাইকোর্টে বলেন, ১০০ কোটির সম্পত্তি রয়েছে ২ জনের। হাইকোর্ট এই নিয়ে তথ্য চেয়েছে। ১৯ জুনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে হবে। ততদিন গ্রেফতার করা হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছে রাজ্য। তারপর কী হবে, তা নিয়ে বাড়ছে গুঞ্জন।
