Budget 2026: ‘এতদিন জানতাম ছানি পড়েছে, কিন্তু কানে যে শুনতে পেত না জানতাম না’, বাজেট ইস্যুতে কেন বললেন শমীক?

Budget 2026: বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, "তৃণমূলের ছানির অপারেশটা জরুরি। কিন্তু কানেও যে সমস্যা, এটা আগে বুঝে উঠতে পারেনি। দুর্গাপুর, শিলিগুড়ি, ডানকুনি, এগুলো কোথায়? ভিন গ্রহে? এই বাজেট তো বাংলাকে আরও উচ্ছ্বসিত করার বাজেট। কিন্তু এটা হবে না, আসল বাজেট হবে যেটা, সেটা হবে মে মাসে।"

Budget 2026: এতদিন জানতাম ছানি পড়েছে, কিন্তু কানে যে শুনতে পেত না জানতাম না, বাজেট ইস্যুতে কেন বললেন শমীক?
শমীক ভট্টাচার্য, বিজেপির রাজ্য সভাপতিImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Feb 01, 2026 | 3:53 PM

কলকাতা: বাজেটে বাংলা বঞ্চিত! ভোটমুখী বাংলায় দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের বাজেটকে ‘হামটি ডামটি’ বাজেট আখ্যা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, এই বাজেট একেবারেই ‘জনবিরোধী, গরিববিরোধী’! মুখ্যমন্ত্রীর মতে, বিজেপি জানে বাংলা থেকে তাঁদের কিচ্ছু পাওয়ার নেই, তাই বাংলাকে কিচ্ছু দেয়নি বাজেটে। কিন্তু কেন্দ্রের এই বাজেটে বাংলা কীভাবে উপকৃত, সেটাই ব্যাখ্যা দিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব।

বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “তৃণমূলের ছানির অপারেশটা জরুরি। কিন্তু কানেও যে সমস্যা, এটা আগে বুঝে উঠতে পারেনি। দুর্গাপুর, শিলিগুড়ি, ডানকুনি, এগুলো কোথায়? ভিন গ্রহে? এই বাজেট তো বাংলাকে আরও উচ্ছ্বসিত করার বাজেট। কিন্তু এটা হবে না, আসল বাজেট হবে যেটা, সেটা হবে মে মাসে।”

অন্যদিকে, বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, ” আমরা শুধু বারাণসী থেকে শিলিগুড়ি হাই স্পিড ট্রেনটাকে কেন ভাবছি? ওষুধের যে দাম কমল, তার সুযোগ সুবিধা কি বাংলার মানুষ পাবে না? উন্নয়ন করলে বলবে ভোটমুখী ন্যারেটিভ আর তা হলে বলবে কিছুই হল না। বারাণসী আজ মোদীর জন্যও বিখ্যাত। মোদী ডায়রেক্ট নজর রাখছে বাংলায়।”
এবারের বাজেটে একাধিক সেক্টর নিয়ে সাধারণ মানুষ আশাবাদী ছিলেন। বাজেটের শুরুতেই শিক্ষা থেকে কর্মসংস্থান, আয়করে একাধিক সুযোগের হাতছানি রয়েছে বাজেটে। কিন্তু আমজনতা? এই বাজেটে কি সত্যিই বাংলার সাধারণ মানুষ কোনও সুবিধা পাবেন?

বিজেপি নেতা তাপস রায় বলেন, “ভোটের বাজেট নয়। ভারতবর্ষের থেকে যাঁরা বাংলাকে আলাদা ভাবে, তাঁরা খুশি হবে না। উন্নয়নমুখী বাজেট। বাংলার ১০ কোটি মানুষ ভারতের সবকটি মানুষের সঙ্গে একই সুবিধা পাবে। ১৫ বছরে এসব দেখার পরও কি এসব উৎকর্ষতা ভাবেন, এই সরকারের কি থাকার প্রয়োজন আছে? কেন্দ্রের সঙ্গে এখানে ডবল ইঞ্জিন সরকার হলে সমস্ত ধার দেনা মকুব হবে।”