
কলকাতা: বাংলায় এসেছে বহু প্রতীক্ষিত জয়। গেরুয়া ঝড়ে কার্যত খড়কুটোর মতো উড়ে গিয়েছে ঘাসফুল শিবির। চলছে সরকার গঠনের তোড়জোড়। এরইমধ্যে ভারতীয় জনতা পার্টির (BJP) কেন্দ্রীয় সংসদীয় বোর্ড পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় দলের পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের জন্য কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করে ফেলল। বড় দায়িত্ব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের কাঁধে। তাঁকেই কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দল।
অন্যদিকে অমিত শাহের পাশাপাশি ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝিকে কেন্দ্রীয় সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই দুই নেতাই মূলত পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়াটি তদারকি করবেন বলে জানা যাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন তা নিয়ে জল্পনার মাঝেই এই পদক্ষেপ যে নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এখন দেখার পদ্ম শিবিরের উপরতলার নেতারা এ ক্ষেত্রে কোন নামে সিলমোহর দেন।
অন্যদিকে অসমের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে জেপি নাড্ডাকে। সেখানে সহ-পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নবাব সিং সাইনিকে। ইতিমধ্যেই বিজেপির তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে এ কথা জানানো হয়েছে
প্রসঙ্গত, বুথ ফেরত সমীক্ষাকে সত্যি করেই বাংলায় বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে পদ্ম শিবির। খাতায় এসেছে ২০০ বেশি আসন। অন্যদিকে সেঞ্চুরিও করতে পারেনি তৃণমূল কংগ্রেস। বাংলা তো বটেই বাংলার ভোটের ফল নিয়ে চর্চা চলছে গোটা দেশজুড়েই। বিজেপির খাতায় এসেছে ২০৭ আসন, তৃণমূলের খাতায় এসেছে ৮০ আসন, কংগ্রেসের খাতায় এসেছে ২ আসন, হুমায়ুনের আম-জনতা উন্নয়ন পার্টির খাতায় এসেছে ২ আসন। পাশাপাশি সিপিএম ও আইএসএফের খাতায় এসেছে ১টি করে আসন। তৃণমূল যদিও শুরু থেকেই এসআইআর থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে গোটা ভোট প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। যদিও বাংলায় রেকর্ড ভোটদানের ছবি দেখেছে দেশ।