Modi in Bengal: ডিসেম্বর থেকে ‘কার্পেট-ক্যাম্পেনিং’ বিজেপির, আসছেন মোদীও!

West Bengal Assembly Election 2026: ডিসেম্বর থেকে বাংলায় টানা কর্মসূচি শুরু হতে চলেছে মোদী-শাহের। পরের মাসের শেষের দিকে বাংলায় আসবেন প্রধানমন্ত্রী। বঙ্গ বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট ১০টি কর্মসূচি করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে আবেদন জানিয়েছিল বাংলার শীর্ষ নেতৃত্বরা। ইতিমধ্য়ে আলিপুর-দমদম-দুর্গাপুর মিলিয়ে তিনটি কর্মসূচি হয়ে গিয়েছে।

Modi in Bengal: ডিসেম্বর থেকে কার্পেট-ক্যাম্পেনিং বিজেপির, আসছেন মোদীও!
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীImage Credit source: PTI

|

Nov 28, 2025 | 3:38 PM

প্রদীপ্ত কান্তি ঘোষ এবং জ্যোতির্ময় কর্মকারের রিপোর্ট

কলকাতা: অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গ— এখন এটাই লক্ষ্য বিজেপির। যা হাসিল করতে সমস্ত কৌশলকে কাজে লাগিয়েছে গেরুয়া শিবির। ইতিমধ্য়েই অঙ্গ, কলিঙ্গে গৈরিকীকরণের কাজ শেষ। এবার পালা বঙ্গের। তাই সেই কথা মাথায় রেখেই বাংলায় আসছেন মোদী। ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে টানা কর্মসূচি।

সূত্রের খবর, ডিসেম্বরের শেষ দিকে বাংলায় কর্মসূচি আসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বঙ্গ বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, ছাব্বিশকে নজরে রেখে প্রধানমন্ত্রীকে মোট ১০টি কর্মসূচি করার আবেদন জানিয়েছিল বাংলার শীর্ষ নেতৃত্বরা। ইতিমধ্য়ে আলিপুর-দমদম-দুর্গাপুর মিলিয়ে তিনটি কর্মসূচি হয়ে গিয়েছে। বাকি রয়েছে ৭টি। তাই নির্বাচনী বিধি লাগু হওয়ার আগে এই কয়েকটি কর্মসূচি শেষ করতে চান মোদী। এই সময়কালে মোদীর সঙ্গে একযোগে কর্মসূচিতে যোগ দিতে চলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও।

উল্লেখ্য় পরের বছর একযোগে তিন রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। অসম, তামিলনাড়ু এবং বাংলা। দক্ষিণে বিজেপির ভিত এখনও অনেকটাই দুর্বল। অসমে গেরুয়া শিবিরকে রোখার জায়গা কম। পরে রইল দেশের পূর্বাঞ্চল অর্থাৎ বাংলা। ঘাঁটি দুর্বল নয়, ভিতও আগের তুলনায় অনেকটাই শক্ত। তাই এই আবহে কোনও খামতি রাখতে চায় না গেরুয়া শিবির।

বৃহস্পতিবার বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার বাসভবনে আয়োজন হয়েছিল নৈশভোজের। যেখানে উপস্থিত ছিলেন অমিত শাহ। উপস্থিত ছিলেন বিহারের বিজয়ের নেপথ্য়ে থাকা কুশলীরাও। অঙ্গ জয়ের সাংগঠনিক দিকটা তাঁরাই সামলেছেন। তাই এবার সেই নেতাদের দায়িত্ব আরও বাড়াতে চলেছে বিজেপি। বিহারের পর এবার বাংলা ও তামিলনাড়ুতে জয় ছিনিয়ে আনার জন্য প্রস্তুত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অর্থাৎ এবার বাংলার নির্বাচনের দায়িত্ব পেতে পারেন বিহারের নেতারাও।