AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Blood selling racket: রক্ত নিয়ে এভাবে ‘খেলা’ করছিলেন খোদ সরকারি হাসপাতালের আধিকারিকরা, শেষমেশ ‘খেল’ খতম

Panskura hospital blood selling racket: তদন্তকারীরা বলছেন, সরকারি হাসপাতালের ব্ল্যাড ব্যাঙ্কে রক্ত নেই বলে জানিয়ে দেওয়া হত রোগীর পরিজনদের। ফলে দালালদের কাছ থেকে রোগীর পরিবার রক্ত কিনতে বাধ্য হত। তদন্তকারীরা বলছেন, যত বিরল গ্রুপের রক্ত, তত দাম বেশি। শুধু তাই নয়, রোগীর চাহিদা বুঝে দাম বাড়ানো হত। ৩ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকায় রক্ত বিক্রি হত।

Blood selling racket: রক্ত নিয়ে এভাবে 'খেলা' করছিলেন খোদ সরকারি হাসপাতালের আধিকারিকরা, শেষমেশ 'খেল' খতম
রক্ত বিক্রি চক্রে এবার গ্রেফতার করা হল সরকারি হাসপাতালের তিন ল্যাব টেকনিশিয়ানকেImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Aug 25, 2026 | 5:04 PM
Share

কলকাতা: রক্তের দালালরাজ বন্ধ করতে অল আউট অ্যাকশনে রাজ্য দুর্নীতি দমন শাখা। রক্ত বিক্রির অভিযোগের তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর তথ্য এল রাজ্য দুর্নীতি দমন শাখার হাতে। রক্ত বিক্রির চক্রে এবার নাম জড়াল সরকারি হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কের। রক্তদাতাদের কার্ড কিনে রোগীদের মোটা টাকায় বিক্রি করা হত। পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের ৩ ল্যাব টেকনিশিয়ানকে মঙ্গলবার গ্রেফতার করা হল।

দালাল চক্রের পর্দা ফাঁস-

রক্ত বিক্রির চক্রের তদন্তে নেমে সরকারি হাসপাতালের ল্যাব টেকনিশিয়ানদের সঙ্গে দালাল চক্রের আর্থিক লেনদেনের পর্দা ফাঁস করল রাজ্য দুর্নীতি দমন শাখা। দানের রক্তই বিক্রি হত মোটা টাকায়। এক মাসে হাসপাতালের টেকনিশিয়ানদের এক লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা কমিশন বাবদ দিয়েছিল দালালরা। নগদে নয়, সরকারি হাসপাতালে রক্ত বিক্রির কারবার চলত UPI-র মাধ্যমে।

কীভাবে চলত রক্তে দালালরাজ?

তদন্তে নেমে রাজ্য দুর্নীতি দমন শাখা জানতে পেরেছে, দালালরা বিভিন্ন ক্লাব ও রক্তদান শিবির আয়োজকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখত। যে কার্ড রক্তদাতাদের বিনামূল্যে দেওয়া হয়, সেই কার্ড ক্লাব থেকে ১০০ থেকে ১৫০ টাকায় কিনে নেওয়া হত। এই কার্ড দিয়ে সরকারি হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে বিনামূল্যে রক্ত সংগ্রহ করত দালালরা। বিনামূল্যে নেওয়া রক্ত বিক্রি করা হত রোগী ও তাঁদের পরিজনদের। রক্ত বিক্রির টাকা সরকারি হাসপাতালের ল্যাব টেকনিশিয়ানদের সঙ্গে ভাগ করে নিত দালালরা।

তদন্তকারীরা বলছেন, সরকারি হাসপাতালের ব্ল্যাড ব্যাঙ্কে রক্ত নেই বলে জানিয়ে দেওয়া হত রোগীর পরিজনদের। ফলে দালালদের কাছ থেকে রোগীর পরিবার রক্ত কিনতে বাধ্য হত। তদন্তকারীরা বলছেন, যত বিরল গ্রুপের রক্ত, তত দাম বেশি। শুধু তাই নয়, রোগীর চাহিদা বুঝে দাম বাড়ানো হত। ৩ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকায় রক্ত বিক্রি হত।

সম্প্রতি পাঁশকুড়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ধরা পড়ে এই দালাল চক্র। তারপরই এই সরকারি হাসপাতালের ৩ ল্যাব টেকনিশিয়ানকে এদিন তলব করা হয় রাজ্য দুর্নীতি দমন শাখার অফিসে। দীর্ঘক্ষণ জেরা করা হয় তাঁদের। তারপরই তাঁদের গ্রেফতার করা হয়।

Follow Us