AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Kolkata: মহেশতলায় বন্ধ ফ্ল্যাটে স্বামী-স্ত্রীর নিথর দেহ, পাশে পড়ে থাকা জিনিসেই বাড়ছে রহস্য

Maheshtala: স্থানীয় সূত্রে খবর, কুড়ি ফুট এলাকার একটি আবাসনের তিনতলায় ভাড়ায় থাকতেন ওই দম্পতি। রবিবার সকালে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা তাঁদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ ফোনে না পাওয়ায় সন্দেহ দানা বাঁধে।

Kolkata: মহেশতলায় বন্ধ ফ্ল্যাটে স্বামী-স্ত্রীর নিথর দেহ, পাশে পড়ে থাকা জিনিসেই বাড়ছে রহস্য
এলাকায় চাঞ্চল্য Image Credit: TV 9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 18, 2026 | 12:42 PM
Share

মহেশতলা: রবিবার সকালে মহেশতলায় ভয়ঙ্কর কাণ্ড। এলাকারই একটি ফ্ল্যাট থেকে স্বামী-স্ত্রীর দেহ উদ্ধার ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য। ঘটনাটি ঘটেছে মহেশতলা পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কুড়ি ফুট এলাকায়। তন্ময় দে-র (৫২) পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী রুমা রক্ষিতেরও (৪৭) দেহ উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে তাঁদের উদ্ধার করে। হাসপাতালে নিয়ে গেলে ততক্ষণে সব শেষ। চিকিৎসকরা তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করে দেন। 

স্থানীয় সূত্রে খবর, কুড়ি ফুট এলাকার একটি আবাসনের তিনতলায় ভাড়ায় থাকতেন ওই দম্পতি। রবিবার সকালে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা তাঁদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ ফোনে না পাওয়ায় সন্দেহ দানা বাঁধে। তাঁরাই ছুটে আসেন ফ্ল্যাটে। কিন্তু দেখা যায় দরজা ভিতর থেকে বন্ধ। অনেক ডাকাডাকি করেও সাড়া পেলেনি। শেষ পর্যন্ত লাগাতার দরজায় ধাক্কাও দেওয়া হয়। কিন্তু ভিতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ মেলেনি।

বেগতিক বুঝে সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় পুলিশে। খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ।  দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকে। দেখা যায়, শোওয়ার ঘরে খাটের ওপর অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে রয়েছেন স্বামী-স্ত্রী। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁদের পাশেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে ছিল ঘুমের ওষুধের একাধিক খালি বাক্স। তড়িঘড়ি দুজনকে উদ্ধার করে বেহালা বিদ্যাসাগর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা পরীক্ষা করার পর দুজনকেই মৃত বলে ঘোষণা করেন।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, আত্মহত্যাই করেছেন ওই দম্পতি। কারণ খুঁজতে কথা বলা হচ্ছে পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কিছুদিন ধরেই ওই দম্পতি চরম আর্থিক অনটনে ভুগছিলেন। এখন ঋণের বোঝা বা আর্থিক দুশ্চিন্তা থেকেই তাঁরা এই চরম পদক্ষেপ নিয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে এর পিছনে অন্য কোনও কারণ আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই দেহ দু’টি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর প্রকৃত সময় ও কারণ স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।