AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Swasthya Sathi: ‘স্বাস্থ্য় সাথীতে তেমন কোনও সুবিধা নেই’, টলিপাড়ায় দেবকে কি গুরুত্ব দিতে নারাজ স্বরূপ?

Swasthya Sathi: সাংসদ ও অভিনেতা দেব, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখে বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির টেকনিশিয়ানদের ‘স্বাস্থ্যসাথী’ প্রকল্পের আওতায় আনার অনুরোধ জানান। সেই আবেদনে সাড়াও দেন মুখ্য়মন্ত্রী। অভিনেতা-সাংসদ স্বয়ং সেকথা সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে সামনে আনেন।

Swasthya Sathi:   'স্বাস্থ্য় সাথীতে তেমন কোনও সুবিধা নেই', টলিপাড়ায় দেবকে কি গুরুত্ব দিতে নারাজ স্বরূপ?
ফেডারেশনের সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাসImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Mar 13, 2026 | 10:41 PM
Share

কলকাতা: বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পের হাজার হাজার টেকনিশিয়ানের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিয়ে এবার গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এবার ফেডারেশন নিজেরাই নিজেদের ফান্ড থেকে টাকা দিয়ে মেডিক্লেম শুরু করবে। জানিয়ে দিলেন ফেডারেশনের সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস। তিনি স্পষ্টই জানিয়ে দিলেন,  স্বাস্থ্য সাথীতে ফেডারেশনের টেকনিশিয়ানদের তেমন লাভ নেই,  তাই ফেডারেশনের সদস্যরা নিজেরাই নিজেদের ফান্ড থেকে টাকা দিয়ে মেডিক্লেম শুরু করবেন।

স্বরূপ বিশ্বাসের বক্তব্য, “স্বাস্থ্য সাথী কার্ড সরকারের তরফ থেকে করা হচ্ছে, আমরা খুশি। তবে আগে আমাদের যে মেডিক্লেম ছিল সরকারের তরফে সেটি অনেক বেশি সুবিধা ছিল। সেটি ডিসকন্টিউ হলে ফেডারেশন সরকারের আইএনসি ডিপার্টমেন্টে পাঠানো হয়েছিল, তখনই আমাদের কাছে এই স্বাস্থ্য সাথী ক্যাম্পের কথা জানানো হয়।” এই কথা প্রসঙ্গে তিনি এটাও স্পষ্ট করেছেন, “এই নিয়ে দেব বা ফেডারেশনের মধ্যে কোনও দ্বন্দ্ব নেই। তবে যে ফেসিলিটি আমরা পেতাম সেটার জন্য আমরা ফেডারেশনের তরফ থেকে নিজেদের খরচে পুরানো মেডিক্লেম চালু করব।”

প্রসঙ্গত, সাংসদ ও অভিনেতা দেব, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখে বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির টেকনিশিয়ানদের ‘স্বাস্থ্যসাথী’ প্রকল্পের আওতায় আনার অনুরোধ জানান। সেই আবেদনে সাড়াও দেন মুখ্য়মন্ত্রী। অভিনেতা-সাংসদ স্বয়ং সেকথা সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে সামনে আনেন।

বর্তমানে FCTWEI (Federation of Cine Technicians and Workers of Eastern India) অধীনে রয়েছেন সাত হাজার কর্মী। সরকারের তরফে ৫ লক্ষ টাকার একটি মেডিক্লেম সুবিধার আওতায় ছিলেন। কিন্তু চলতি অর্থবর্ষে  সুবিধা বন্ধ হয়ে যায়।  তাতে বেকায়দায় পড়েন টেকনিশিয়ানরা। কারণ প্রত্যেকেই মেডিক্লেমে নিজের পরিবারের সদস্যদের নামও ‘ডিপেনডেন্সির’ তালিকায় রেখেছিলেন। টেকনিশিয়ানদের স্বার্থের কথা মাথায় রেখে এই বিষয়টিই একজন সাংসদ হিসাবে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপিত করেন। সেটি গ্রাহ্যও হয়। ১৪ মার্চ টেকনিশিয়ানস স্টুডিও প্রাঙ্গণে একটি বিশেষ রেজিস্ট্রেশন ক্যাম্প বসবে। সেখানে নাম নথিভুক্ত করা হবে।

কিন্তু কার্যত দেবের উদ্যোগকে কার্যত গুরুত্বই দিলেন না স্বরূপ বিশ্বাস? কারণ তাঁর যুক্তি স্বাস্থ্য় সাথী টেকনিশিয়ানদের তেমন কোনও লাভ নেই।  স্বরূপ বিশ্বাসের বক্তব্য, যেহেতু স্বাস্থ্য সাথী কার্ড মূলত মহিলাদের নামে হয়, সেখানে একটা সমস্যা থেকেই যাচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, “স্বাস্থ্য সাথী কার্ড বাড়ির মহিলাদের নামে হয় ,সেটার সুবিধা বাড়ির অন্যরা পেয়ে থাকে। টেকনিশিয়ানরা সকলে মহিলা নন। এক্ষেত্রেও নতুন কোন নিয়ম থাকছে কিনা আমাদের কাছে খবর নেই।” তবে পাশাপাশি তিনি এটাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন, “ফেডারেশনের মধ্যে বিভেদ নেই। আগামীকাল সরকারের উদ্দোগে যে ক্যাম্প হচ্ছে সেখানে যাদের প্রয়োজন তারা অবশ্যই আসবেন।”

Follow Us