DGP: জেলায় জেলায় আদালতে বোমাতঙ্ক, বিচারকদের সব রকম সাহায্যের আশ্বাস ডিজি-র

DGP: রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়াল বলেন, "পুলিশ এটা দেখবেই। এটা পুলিশের দেখার দায়িত্ব। বিচারকদের নিরাপত্তার দায়িত্বটা তো সুনিশ্চিত করতেই হবে। সেন্ট্রাল ফোর্স দিয়ে ডিজিপি নিরাপত্তা দেবে। ডিজিপি রাজ্য পুলিশ ব্যবহার করবেন, আমরা তো স্বতন্দ্রভাবে এখন কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করব না।  "

DGP: জেলায় জেলায় আদালতে বোমাতঙ্ক, বিচারকদের সব রকম সাহায্যের আশ্বাস ডিজি-র
আদালতে বোমাতঙ্ক, কী বললেন ডিজিপি? Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Feb 24, 2026 | 3:57 PM

কলকাতা: বিচারকরা এসআইআর-এর কাজ শুরু করার পরই কলকাতা-সহ রাজ্যের একাধিক জেলার আদালতে বোমাতঙ্ক। বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে মেইল করা হয়েছে। গোটা বিষয়টিকে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানালেন সিইও মনোজ আগরওয়াল। তাঁর বক্তব্য, বিচারকরা এসআইআর-এর কাজ করছেন সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে, বিচারকদের নিরাপত্তার দায়িত্ব রাজ্য পুলিশের ডিজি-র। পুলিশকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার বার্তা সিইও-র।

রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়াল বলেন, “পুলিশ এটা দেখবেই। এটা পুলিশের দেখার দায়িত্ব। বিচারকদের নিরাপত্তার দায়িত্বটা তো সুনিশ্চিত করতেই হবে। সেন্ট্রাল ফোর্স দিয়ে ডিজিপি নিরাপত্তা দেবে। ডিজিপি রাজ্য পুলিশ ব্যবহার করবেন, আমরা তো স্বতন্দ্রভাবে এখন কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করব না।  ”

মঙ্গলবার সকালে কলকাতা হাইকোর্টের পিছনে  সিটি সিভিল কোর্টে প্রথম মেইল আসে। সকাল ১১টার আশপাশে। কলকাতা-সহ রাজ্যের প্রায় প্রতিটি জেলার নিম্ন আদালতে গিয়েছে একই হুঁশিয়ারি। আসানসোল, হুগলি, বহরমপুর, কাঁথি — বিচারকদের মেইলে এসেছে ভয়াবহ বার্তা। তাতে লেখা, আদালতে রয়েছে বোমা।  গোটা বিষয়টি রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বিস্তর প্রশ্ন তুলে দেয়। আদালতগুলিতে দেখা যায় বম্ব স্কোয়াডের চূড়ান্ত তৎপরতা। তল্লাশি চালায় ডগ স্কোয়াড। তবে শেষ পর্যন্ত কোথাও কিছুই মেলেনি। তবে প্রশ্ন, এসআইআর-এর নথি যাচাইয়ে যখন কাজে লাগলেন বিচারকরা, তারপরই কেন এই হুমকি মেইল?

রাজ্য পুলিশের ডিপি সুপ্রতীক সরকার বলেন, “সমস্ত জায়গায় তল্লাশির পরে কোথাও কিছু সন্দেহভাজন মেলেনি। আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিষয়টা দেখেছি। বিচারব্যবস্থা, বিচারপতি, বিচারপ্রার্থী-তাঁদের নিরাপত্তা দেওয়া আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার, আমরা সেইভাবেই বিষয়টা দেখছি। আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। এই মেইলটি ভুয়ো ছিল। মেইল কে কী কারণে করেছিল, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”