WB Assembly Election 2026 : বুথ জ্যামিং বরদাস্ত নয়,ছাপ্পাহীন ভোটই লক্ষ্য, ভোট আবহে কড়া বার্তা কমিশনের

কমিশনের বার্তায় পাঁচটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম হল হিংসামুক্ত ভোট করাতে হবে। দ্বিতীয়, ছাপ্পাবিহীন ভোটই লক্ষ্য। তৃতীয় ও চতুর্থ উল্লেখযোগ্য বার্তা হল সোর্স জ্যামি, বুথ জ্যামিং বরদাস্ত করা হবে না। ভয়মুক্ত পরিবেশে ভোট করানোই লক্ষ্য থাকবে। এছাড়া, প্রলোভন দেখানো কখনওই বরদাস্ত করা হবে না বলে কড়া বার্তা দিয়েছে কমিশন।

WB Assembly Election 2026 : বুথ জ্যামিং বরদাস্ত নয়,ছাপ্পাহীন ভোটই লক্ষ্য, ভোট আবহে কড়া বার্তা কমিশনের
নির্বাচন কমিশনImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: শুভশ্রী রায়চৌধুরী

Mar 20, 2026 | 2:03 AM

কলকাতা : দড়জায় কড়া নাড়ছে ভোট। হাতে আর বেশিদিন বাকি নেই। ভোট আবহে নির্বাচনী প্রচারও শুরু করে দিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। এদিকে, কমিশনের সঙ্গে রাজ্যের সংঘাত অব্যাহত রয়েছে। বারবার কমিশনকে চিঠি লিখছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইস্যু একাধিক। এস আই আর থেকে শুরু করে প্রশাসনিক বদল…বিভিন্ন ইস্যুতে কমিশনকে তোপ দেগেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার বাংলায় ভোট নিয়ে কড়া বার্তা দিল নির্বাচন কমিশন।

কমিশনের বার্তায় পাঁচটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম হল হিংসামুক্ত ভোট করাতে হবে। দ্বিতীয়, ছাপ্পাবিহীন ভোটই লক্ষ্য। তৃতীয় ও চতুর্থ উল্লেখযোগ্য বার্তা হল সোর্স জ্যামি, বুথ জ্যামিং বরদাস্ত করা হবে না। ভয়মুক্ত পরিবেশে ভোট করানোই লক্ষ্য থাকবে। এছাড়া, প্রলোভন দেখানো কখনওই বরদাস্ত করা হবে না বলে কড়া বার্তা দিয়েছে কমিশন।

এদিকে, বৃহস্পতিবারই ফের জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি লিখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। চিঠিতে তিনি লিখেছেন, “কমিশনের কাজের পদ্ধতিতে আমি স্তম্ভিত। শালীনতা ও সাংবিধানিক শিষ্টাচারের সমস্ত সীমা লঙ্ঘন করেছে। কমিশনের কাজে সুপ্রিম কোর্টে যেতে বাধ্য হয়েছিলাম।” এসআইআর প্রক্রিয়ায় ফের পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছেন তিনি। মমতা লেখেন, “বাস্তব বোধের অভাব রয়েছে কমিশনের। আমি বারবার বিষয়গুলি কমিশনের নজরে এনেছি, কিন্তু কোনও লাভ হয়নি।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, রাজ্য সরকারের সঙ্গে কোনও পরামর্শ না করেই প্রশাসনিক রদবদল করা হয়েছে। যাঁদের অন্যত্র বদলি করা হয়েছে। তাঁদের প্রশিক্ষণ ছাড়াই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে দাবি মুখ্যমন্ত্রীর। তিনি আরও বলেন, “রাজ্যে প্রশাসনিক অস্থিরতা তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই পদক্ষেপ গণতন্ত্রের পরিহাস। নির্বাচনের সময়েও নির্বাচিত সরকারকে দুর্বল করার চেষ্টা করা হচ্ছে।”

Follow Us