Bow Bazar: জলের তোড় সামাল দিতে আরও এক দেড় দিন চাই মেট্রোর, কবে ঘরে ফিরবেন বৌবাজারের মানুষগুলো?
Bowbazar: বৌবাজারের দুর্গা পিতুরি লেনের পর শুক্রবার মদনদত্ত লেনে একের পর এক বাড়িতে ফাটল লক্ষ্য করা যায়।
কলকাতা: বৌবাজারে (Bow Bazar) কোনওভাবেই বাগে আনা যাচ্ছে না ভূগর্ভ থেকে বেরিয়ে আসা জলের তোড়। শুক্রবার ভূগর্ভ থেকে জল বেরিয়ে আসার তোড় অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। ফলে সেই তোড় আটকানো সম্ভব হচ্ছে না। ক্রমাগত তা বাগে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন মেট্রো নির্মাণকর্মীরা। মাটি নরম থাকায় জল ক্রমশ বেরিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। আরও এক-দেড় দিন সময় প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন মেট্রোর আধিকারিকরা।
সূত্রের খবর, গত দেড়দিন ধরে যে বেগে জল বেরোচ্ছে, তাতে সুরঙ্গের ভিতরে থাকা মেট্রোর যাবতীয় মেশিনপত্র এবং আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র কাদায় ও মাটিতে ঢেকে গিয়েছে। যে কারণে এসপ্ল্যানেড এর দিক থেকে এবং শিয়ালদহের দিক থেকে টানেলের মধ্যে দিয়ে গ্রাউটিংয়ের যাবতীয় জিনিসপত্র নিয়ে আসা হয়েছে।
মে মাসে যে বিপর্যয় ঘটেছিল। তারপর বাকি থাকা ৯ মিটারের মধ্যে ৬ মিটার এখন বাকি রয়েছে। ৩ মিটার অংশে স্ল্যাব বসানো সম্ভব হয়েছে। মে মাসে বিপর্যয়ের প্রায় ৩ মিটার চওড়া গ্রাউটিং করা হয়েছে। তারপরই কিছুটা স্ল্যাব বসানো সম্ভব হয় বলে কেএমআরসিএল সূত্রে খবর।
বউবাজারে এই নিয়ে তিন তিনবার ফাটল দেখা দিল মেট্রো প্রকল্পের কাজ চলাকালীন। কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম, চৌরঙ্গির বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, স্থানীয় কাউন্সিলর বিশ্বরূপ দে সকলেই এই ফাটল নিয়ে দুষছেন মেট্রোর নির্মাণ সংস্থা কেএমআরসিএলকে (KMRCL)। কেন্দ্রের প্রকল্প ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো। রাজনৈতিক চাপানউতর এ নিয়ে তুঙ্গে। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেছেন, সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে ফাটল নিয়ে রাজনীতি না করে সকলের উচিত দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানো। সকলকে হাতে হাত রেখে একসঙ্গে কাজ করতে হবে মানুষগুলোর জন্য।