Amherst Street: পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি, পাল্টা লাঠিচার্জ পুণ্যার্থীদের, পুজো দেওয়া নিয়ে ধুন্ধুমার আমহার্স্ট স্ট্রিটের কালীমন্দিরে

Amherst Street: মন্দিরের বাইরে দাঁড়িয়েই বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। মন্দির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন। পরে মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফেই খবর দেওয়া হয় আমহার্স্ট স্ট্রিট থানায় খবর দেন। পুলিশ এসে প্রাথমিকভাবে পুণ্যার্থীদের বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে না।

Amherst Street: পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি, পাল্টা লাঠিচার্জ পুণ্যার্থীদের, পুজো দেওয়া নিয়ে ধুন্ধুমার আমহার্স্ট স্ট্রিটের কালীমন্দিরে
আমহার্স্ট স্ট্রিটে পুজো দেওয়া নিয়ে ধুন্ধুমারImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Jan 18, 2026 | 7:40 PM

কলকাতা: তখন বাইরে প্রচুর প্রচুর ভক্তের ভিড়! কিন্তু মন্দিরের মূল দ্বার বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছিল সন্ধ্যা ৬টাতেই। পুজো দিতে না পারায় পুণ্যার্থীদের ক্ষোভ। পরিস্থিতি সামাল দিতে আসে পুলিশ। মন্দিরের সামনেই পুণ্যার্থীদের সঙ্গে পুলিশের খণ্ডযুদ্ধ। পুলিশকে লক্ষ্য করে চলে ইটবৃষ্টি। পাল্টা লাঠিচার্জ করতে বাধ্য হয় পুলিশ। ঘটনাকে ঘিরে ধুন্ধুমার আমহার্স্ট স্ট্রিটে

আজ, রবিবার অমাবস্যার বিশেষ তিথি। আমহার্স্ট স্ট্রিটের শ্যামসুন্দরী মন্দিরে বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয়েছিল। দূর দূরান্ত থেকে হাজার হাজার ভক্তের সমাগম হয়। মন্দিরের সামনের সরু রাস্তায় তখন ঠাসা ভিড়। অভিযোগ, তাঁদের অধিকাংশের তখনও পুজোই দেওয়া হয়নি। কিন্তু সন্ধ্যা ৬টা বাজতেই মন্দিরের দরজা বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। আর পুজো দেওয়া যাবে না বলেও জানিয়ে দেয়। এরপরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন পুণ্যার্থীরা।

মন্দিরের বাইরে দাঁড়িয়েই বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। মন্দির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন। পরে মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফেই খবর দেওয়া হয় আমহার্স্ট স্ট্রিট থানায় খবর দেন। পুলিশ এসে প্রাথমিকভাবে পুণ্যার্থীদের বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে না। পুলিশের সঙ্গেই বচসায় জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। এরপর পুণ্যার্থীদের রাস্তায় এক পাশে নিয়ে গিয়ে ব্যারিকেড করে রাখে পুলিশ। তাতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। পুলিশকে লক্ষ্য করে শুরু হয় ইটবৃষ্টি। পুলিশকে পাল্টা লাঠিচার্জ করতে দেখা যায়। রাস্তাতেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায় পুজোর জন্য আনা মিষ্টি, ধূপকাঠি, কাপড়! ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে পুণ্যার্থীদের চটিও। এক পুণ্যার্থীর অভিযোগ, “আমি হেঁটেই আসছিল, এক পুলিশকর্মী এসে আমার পা চিপে দেন। ওরাই আমাদের তাড়া করতে থাকে।” আরেক পুণ্যার্থী বলেন, “হঠাৎ করে বলল সন্ধ্যা ৬টায় মন্দির বন্ধ। আগে থেকে তো বলেনি। এত গুলো মানুষ পুজো দিতে পারলেন না। কারণও বলছে না।”