AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Buxa Tigress Release: গণ্ডকের জলে ডুবে জঙ্গল, বৃষ্টির মধ্যে বাঘিনি খুঁজতে হন্যে বন দফতর!

Tigress arrival delayed due to heavy rain: নেপাল ও বিহারে প্রবল বর্ষণের ফলে গণ্ডক নদীর জলে প্লাবিত হয়েছে বাল্মীকি ব্যাঘ্র প্রকল্পের বিস্তীর্ণ এলাকা। জলের তলায় বনভূমি চলে যাওয়ায় বৃষ্টির মধ্যেই বাঘিনির সন্ধান চালাতে হন্যে হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বন দফতরের কর্মীরা। কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ার দরুন বাঘিনিকে বাগে আনা সম্ভব হচ্ছে না।

Buxa Tigress Release: গণ্ডকের জলে ডুবে জঙ্গল, বৃষ্টির মধ্যে বাঘিনি খুঁজতে হন্যে বন দফতর!
বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Sep 27, 2026 | 8:25 PM
Share

কমলেশ চৌধুরী:   ছাড়া তো হবে, বাঘিনি কই? বৃষ্টির মধ্যে বাঘিনি খুঁজতে হন্যে বন দফতর। ২ অক্টোবর বক্সার জঙ্গলে বাঘিনি ছাড়ার কথা। নিম্নচাপের বৃষ্টির জন্য এখনও অধরা বাঘিনি।  বিহারের বাল্মীকি টাইগার রিজার্ভ থেকে বাঘিনি আনার কথা। নেপাল ও বিহারে প্রবল বৃষ্টি, গণ্ডকের জলে ডুবে জঙ্গল।

নেপাল ও বিহারে প্রবল বর্ষণের ফলে গণ্ডক নদীর জলে প্লাবিত হয়েছে বাল্মীকি ব্যাঘ্র প্রকল্পের বিস্তীর্ণ এলাকা। জলের তলায় বনভূমি চলে যাওয়ায় বৃষ্টির মধ্যেই বাঘিনির সন্ধান চালাতে হন্যে হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বন দফতরের কর্মীরা। কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ার দরুন বাঘিনিকে বাগে আনা সম্ভব হচ্ছে না।

তবে আবহাওয়া নিয়ে এখনই আশা হারাচ্ছেন না বনমন্ত্রী। তিনি জানান, বৃষ্টি কিছুটা কমলেই দ্রুত অভিযান চালিয়ে বাঘিনিটিকে ধরে ফেলা সম্ভব হবে। সেখান থেকে বাঘিনিকে নিরাপদে আনতে অ্যাম্বুল্যান্স কিংবা প্রয়োজনে আকাশপথ ব্যবহারের পরিকল্পনাও রাখা হয়েছে। এখন দেখার, ২ অক্টোবরের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবহাওয়া স্বাভাবিক হয়ে বাঘিনিকে বক্সায় পৌঁছানোর পথ সুগম হয় কি না।

প্রসঙ্গত, বাঘের স্থায়ী বসতি গড়ে তুলতে বড় পদক্ষেপ করছে রাজ্য বনদফতর। আগামী ২ অক্টোবর, গান্ধী জয়ন্তীর দিন প্রথম দফায় একটি বাঘিনীকে বক্সার জঙ্গলে ছাড়ার কথা রয়েছে। বনমন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাওঁ জানিয়েছেন, সেদিন উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বর্তমানে বক্সায় স্থায়ী বাঘের সংখ্যা না থাকলেও, অসম ও ভুটান সীমান্ত থেকে পুরুষ বাঘের আসা-যাওয়ার প্রমাণ মিলেছে। এই বাঘিনীকে এনে প্রজননের মাধ্যমে স্থায়ী বাঘের সংখ্যা বাড়ানোই সরকারের লক্ষ্য। জাতীয় বাঘ সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষের (NTCA) প্রোটোকল মেনে ভবিষ্যতে আরও বাঘ আনা হবে।

Follow Us