C V Anand Bose: মুখ্যমন্ত্রীকে মহানুভবতার ধন্যবাদ জানাতে গিয়ে বিদায়বেলায় কেঁদেই ফেললেন সি ভি আনন্দ বোস

C V Anand Bose: পাঁচ বছরের আগে আচমকাই নিজের ইস্তফা ঘোষণা করেন রাজ্যপাল।  কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে কেন এ ভাবে রাজ্যপাল বদল করা হল? তা নিয়ে বঙ্গ রাজনীতিতে কম জলঘোলা হয়নি। নিজের ইস্তফা প্রসঙ্গে এদিনও বেশ কিছু ইঙ্গিতবহ কথা বললেন বোস। বোঝালেন জীবনের একটা নির্দিষ্ট জায়গায় গিয়ে থামতে হয়।

C V Anand Bose: মুখ্যমন্ত্রীকে মহানুভবতার ধন্যবাদ জানাতে গিয়ে বিদায়বেলায় কেঁদেই ফেললেন সি ভি আনন্দ বোস
বিদায়বেলায় সিভি আনন্দ বোস Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Mar 11, 2026 | 4:51 PM

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের বিদায়ী রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার বিকালেই বঙ্গে পা রাখছেন নতুন রাজ্যপাল আর এন রবি। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন আনন্দ বোস। তাঁর আচমকা ইস্তফা ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে বিস্তর আলোচনা শুরু হয়। সরব হয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর মধ্যেই বিদায়বেলায় আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লেন বোস! মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘মহানুভবতার’ও কৃতজ্ঞতা শিকার করেছেন তিনি। আর সেটা বলতে গিয়ে ধরে গেল বোসের গলা। চোখের কোণায় চিকচিক করে উঠল জল।

বিদায়বেলায় সি ভি আনন্দ বোস বলেন, “আমি সাড়ে ৩ বছরের এই অভিজ্ঞতা উপভোগ করেছি। গ্রেট কালচার, আমি এখানকার মানুষের সুইটনেস উপহারস্বরূপ সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছি।” তখনই তিনি বলেন, ” আমি মুখ্যমন্ত্রীকে তার মহানুভবতার ধন্যবাদ জানাবো। এটাই বাংলার সংস্কৃতির ঐতিহ্য দর্শায়। ”

পাঁচ বছরের আগে আচমকাই নিজের ইস্তফা ঘোষণা করেন রাজ্যপাল।  কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে কেন এ ভাবে রাজ্যপাল বদল করা হল? তা নিয়ে বঙ্গ রাজনীতিতে কম জলঘোলা হয়নি। নিজের ইস্তফা প্রসঙ্গে এদিনও বেশ কিছু ইঙ্গিতবহ কথা বললেন বোস। বোঝালেন জীবনের একটা নির্দিষ্ট জায়গায় গিয়ে থামতে হয়। তাঁর কথায়, “আমি নিজের জীবনের ৭৫ বছর কাটিয়ে জানতাম, কোথায় থামতে হবে। সব সময় জানতে হবে জীবনের কোন একটা জায়গায় গিয়ে থামতে হবে।”  এর নেপথ্যে ‘ষড়যন্ত্র’ থাকতে পারে বলেও আশঙ্কাপ্রকাশ করেন। সেই একই বিষয় মঙ্গলবারও বললেন মমতা। রাজনৈতিক অভিসন্ধি থাকতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন তিনি।

সি ভি আনন্দ বোসের সঙ্গে সাক্ষাতের পরও সাংবাদিকদের সামনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ওঁর প্রতি অবিচার হয়েছে। অন্যায় হয়েছে।” রাজ্যপাল পদে থাকাকালীন একেবারের প্রথম পর্বে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বোসের সুসম্পর্কের একাধিক ছবি বঙ্গবাসী দেখেছে। রাজভবনে সরস্বতী পুজোয় হাতেখড়িও হয়েছিল বোসের। কিন্তু কালক্রমে সে সম্পর্কে  চিড় ধরে, পরে তা চওড়া ফাটল হয়। উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে জটিলতার সূত্রপাত, এরপর বাংলার একাধিক অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি শাসনের পক্ষে সওয়াল করে দিল্লিকে রিপোর্ট করেছেন রাজ্যপাল। তা নিয়ে রাজ্য বনাম রাজ্যপালের সম্পর্ক একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকে। কিন্তু বিদায়বেলায় সে সব ভুলে আবারও বোসের প্রতি সহমর্মী রাজ্য।

Follow Us