AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Calcutta High Court: ‘এক্ষুনি রক্ষাকবচ চাইবেন না’, অভিষেকের পিএ-র মামলায় বলল হাইকোর্ট, বড় অভিযোগ রাজ্যের

Calcutta High Court Declines Relief for Sumit Roy: সুমিত রায়ের আইনজীবী এদিন তাঁর সওয়ালে বলেন, "সুজয় হাজরা (মেদিনীপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক) ক্যামাক স্ট্রিটে এসে টাকা দিতেন অভিযোগ। অথচ সুমিত টাকা নিয়েছেন বলে একটাও প্রমাণ নেই।" তাঁর মক্কেলের আয়কর তথ্য দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

Calcutta High Court: 'এক্ষুনি রক্ষাকবচ চাইবেন না', অভিষেকের পিএ-র মামলায় বলল হাইকোর্ট, বড় অভিযোগ রাজ্যের
সুমিত রায়ের মামলায় কী বলল হাইকোর্ট? Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jul 28, 2026 | 4:40 PM
Share

কলকাতা: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক (পিএ) সুমিত রায় আজও হাইকোর্টে রক্ষাকবচ পেলেন না। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ সুমিতের আইনজীবীকে বললেন, ‘তদন্ত চলছে। এক্ষুনি রক্ষাকবচ চাইবেন না।’ আবার সুমিতের বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির কথা এদিন শুনানিতে তুলে ধরেন রাজ্যের অ্যাডিশনাল অ্যাডভোকেট জেনেরাল (এএজি) রাজদীপ মজুমদার। সুমিতের আইনজীবী সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ খারিজ করে রক্ষাকবচের আবেদন জানান।

পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনিতে জমি জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে। আগাম জামিনের আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেকের আপ্ত সহায়ক। এদিন মামলার শুনানিতে সুমিতের আইনজীবী সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় সওয়াল করেন, “পুলিশের অভিযোগ ভিত্তিহীন। যে জমির কথা বলা হয়েছে, সেগুলি সরকারি নথিতে নথিবদ্ধ। প্রাইভেট পার্টি জমির মালিক। তাদের শনাক্ত করা হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “সুজয় হাজরা (মেদিনীপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক) ক্যামাক স্ট্রিটে এসে টাকা দিতেন অভিযোগ। অথচ সুমিত টাকা নিয়েছেন বলে একটাও প্রমাণ নেই।” তাঁর মক্কেলের আয়কর তথ্য দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনেরাল কী সওয়াল করলেন?

রাজ্যের তরফে এএজি রাজদীপ মজুমদার তাঁর সওয়ালে বলেন, “যাঁদের জমি, তাঁরা বক্তব্য দিয়েছেন। কার কাছ থেকে জমি নিয়েছেন, সেটা স্পষ্ট নয়। গ্রামের মানুষের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ জেনেছে, যাঁরা জমির মালিক ছিলেন, তাঁদের বাধ্য করা হয়েছে জমি ছেড়ে উঠে যেতে।” এএজি আরও বলেন, বিএলআরও জানিয়েছেন, জমি সরকারি। অথচ ভুয়ো নথি বানিয়ে সম্পূর্ণ ভুয়ো নামে নথি বানিয়ে রেকর্ড করা হয়েছে। সমস্ত জমি এই ভাবে বিক্রি করা হয়েছে। এবং তার সুবিধা নিয়েছেন সুমিত রায়। এই নিয়েই তদন্ত চলছে বলে জানান রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনেরাল।

নিজের সওয়ালে রাজ্যের আইনজীবী আরও বলেন, সুজয় হাজরার কাছ থেকে একাধিক নথি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। বিএলএলআরও-র রাবার স্ট্যাম্প-সহ একাধিক নথি বাজেয়াপ্ত হয়েছে। সমস্ত জমি সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের নামে হস্তান্তর করা হয়েছে। বিষ্ণু রায়, পল্টু রায়, কমলা রায়- এইরকম ভুয়ো নামে নথি বানানো হয়েছে। অথচ এই নামেই কেউ নেই। এএজি বলেন, আর্থিক লেনদেন সমস্তই নগদে হত বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

এদিন শুনানি শেষ সুমিতের আইনজীবীর উদ্দেশে বিচারপতি বলেন, “অভিযোগের তদন্ত চলছে। এক্ষুনি রক্ষাকবচ চাইবেন না।” আগামিকাল ফের মামলার শুনানি।

Follow Us