Calcutta High Court: ‘এত স্পর্ধা… কেন রাজ্যের টাকায় এনাকে বেতন দিয়ে অর্থ অপচয় করা হচ্ছে?’, ১৬ জানুয়ারির ঘটনায় প্রবল ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট

রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত বলেন, "আমাকে এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার জানিয়েছেন যে তিনি সেদিন জানিয়ে দিয়েছিলেন যে যেহেতু সব কর্মী জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চে গিয়েছেন, তাই কাজ করার মতো লোকবল নেই।" এ কথা শুনেই বিচারপতি বসাক বলেন, "মিথ্যা বলছেন।"

Calcutta High Court: এত স্পর্ধা... কেন রাজ্যের টাকায় এনাকে বেতন দিয়ে অর্থ অপচয় করা হচ্ছে?, ১৬ জানুয়ারির ঘটনায় প্রবল ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট
কলকাতা হাইকোর্টImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Jan 29, 2026 | 12:10 AM

কলকাতা: কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের সরাসরি সম্প্রচার করল না পিডব্লুডি (PWD) বা পূর্ত দফতর। বারবার অনুরোধের পরেও কাজ করতে অস্বীকার করেন পিডব্লুডি-র এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার। সেই ঘটনার কথা বলে বুধবার রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করলেন বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি শব্বর রশিদির বেঞ্চ। ‘কেন রাজ্যের টাকায় এনাকে বেতন দিয়ে অর্থ অপচয় করা হচ্ছে?’ কড়া প্রশ্ন বিচারপতির।

গত ১৬ জানুয়ারি কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে শপথ নেন সুজয় পাল।
সেই অনুষ্ঠানের লাইভ স্ট্রিমিং করার দায়িত্ব থাকে পূর্ত দফতরের উপর। একদিকে ইউটিউবে লাইভ সম্প্রচার হয়, অন্যদিকে এজলাসের বাইরেও দেখানো হয় সেই লাইভ সম্প্রচার। অভিযোগ, এজলাসের বাইরে ওই সম্প্রচার করতেই আপত্তি জানান পূর্ত দফতরের ইঞ্জিনিয়ার। এই ইস্যুতেই রাজ্যকে একের পর এক প্রশ্ন করে বিচারপতিদের বেঞ্চ।

বুধবারের শুনানিতে বিচারপতি বসাক রাজ্যকে প্রশ্ন করেন, “এই এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার (Executive Engineer)-কে আরও ভালো জায়গায় পাঠানো উচিত। এনাকে এখানে কেন রাখা হয়েছে? ওঁর জ্ঞানের সঠিক ব্যবহার এখানে হচ্ছে না। উনি আর ভালো জায়গা পাওয়ার যোগ্য। কেন রাজ্যের টাকায় এনাকে বেতন দিয়ে অর্থ অপচয় করা হচ্ছে?”

রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত বলেন, “আমাকে এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার জানিয়েছেন যে তিনি সেদিন জানিয়ে দিয়েছিলেন যে যেহেতু সব কর্মী জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চে গিয়েছেন, তাই কাজ করার মতো লোকবল নেই।” এ কথা শুনেই বিচারপতি বসাক বলেন, “মিথ্যা বলছেন এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার। আমাকে দু’জন রেজিস্ট্রার একই কথা বলছেন।”

রাজ্যকে বিচারপতির পরামর্শ, “উনি এখানে থাকার যোগ্য নন। আপনারা যা ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলে মনে করেন সেটা নিন।” বিরক্তি প্রকাশ করে বিচারপতি বলেন, একজন এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারের এত স্পর্ধা হয় কী করে? আসলে মানসিকতাই অন্য, কিছু করার নেই। ঘটনার দিন এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার রাজি না হওয়ায় বাধ্য হয়ে অন্য ব্যক্তিদের দিয়ে লাইভ স্ট্রিমিং করাতে হয় হাইকোর্টকে।