
কলকাতা: নবান্নের সামনে বিজেপির ধরনা নিয়ে বৃহস্পতিবার সিদ্ধান্ত নেবে কলকাতা হাইকোর্ট।
নবান্নের সামনে ধরনায় আপত্তি রয়েছে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের। চাইলে বাস স্ট্যান্ড বা চাইলে মন্দিরতলায় হতে পারে সমাবেশ, মন্তব্য বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের। বৃহস্পতিবার মামলাকারীকে নির্দেশ দেন, এই দুটি জায়গার মধ্যে অবস্থান-বিক্ষোভ করবে কি না।
এখানে উল্লেখ্য, IPAC তল্লাশির সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি ও সেখান থেকে নথি নিয়ে চলে যাওয়ার অভিযোগের ঘটনায় সরব হয় বিজেপি। নবান্নে শুক্রবার ধরনা করতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয় গেরুয়া শিবির। সেই মামলার শুনানি ছিল আজ।
বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ: অন্য কোথাও আইন মানা হয়নি মানেই আমিও আইন মানব না এটা প্রযোজ্য নয়।
মামলাকারী শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবী: ১৬ জানুয়ারি নবান্ন অভিযান করতে আবেদন। ৯ জানুয়ারি তৃণমূল নিজেই মিছিল করে এই ইস্যুতে। সে সময় দক্ষিণ কলকাতায় তীব্র যানজট হয়। এখন নবান্নে হাইসিকিউরিটি, ইত্যাদি বলে অনুমতি দেওয়া হয়নি। ৫০ জন প্রতিনিধি বসবেন। এতে আপত্তি কোথায়? এর আগে তৃনমূলের পক্ষ থেকে ২০২৩ এ রাজভবনে ধরনা হয়েছে। রাজনৈতিক কারণেই বাধা দেওয়া হচ্ছে।
রাজ্যের তরফে কিশোর দত্ত: একটা কেন্দ্রীয় এজেন্সির অভিযোগে মামলা হয়েছে। সেখানে হঠাৎ একটি রাজনৈতিক দল কেন তাদের হয়ে প্রতিবাদ জানাতে ধরনা করবে? ED কি তাদের অনুমতি দিয়েছিল এটা করার জন্য?
বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ: এটা কি বাধ্যতামূলক?
এজি: বাধ্যতামূলক না হলেও এটা নজিরবিহীন। অন্যত্র করা হোক সমস্যা নেই
বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ: নবান্নের অনুমতি দিচ্ছি না। মন্দিরতলায় হতে পারে। নবান্ন বাস স্ট্যান্ডেও হতে পারে।
বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ: অন্য কোথাও আইন মানা হয়নি মানেই আমিও আইন মানব না এটা প্রযোজ্য নয়।