Calcutta High Court: সরকারি জমিতে মেসি ও মারাদোনার মূর্তি? রিপোর্ট তলব কলকাতা হাইকোর্টের

Calcutta High Court On Messi Statue: আবেদনকারী স্বদেশ মজুমদারের দাবি, সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ রয়েছে, মানুষের বাধা সৃষ্টি করে সরকারি জমিতে কোন মূর্তি বা স্থাপত্য শিল্প করা যাবে না। সরকারি জমিতে মেসি ও মারাদোনার মূর্তি হয়েছে কিনা রিপোর্ট তলব কলকাতা কোর্টের। দমদম পুরসভা এবং রাজ্যকে এ বিষয়ে রিপোর্ট জমা করতে হবে।

Calcutta High Court: সরকারি জমিতে মেসি ও মারাদোনার মূর্তি? রিপোর্ট তলব কলকাতা হাইকোর্টের
রিপোর্ট তলব হাইকোর্টেরImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Jan 19, 2026 | 4:43 PM

কলকাতা:  লেকটাউনে মেসি ও মারাদোনার মূর্তি নিয়ে রিপোর্ট তলব কলকাতা হাইকোর্টের। লেকটাউনে মেসি ও মারাদোনার মূর্তি বসানো নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। আবেদনকারী স্বদেশ মজুমদারের দাবি, সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ রয়েছে, মানুষের বাধা সৃষ্টি করে সরকারি জমিতে কোন মূর্তি বা স্থাপত্য শিল্প করা যাবে না।
সরকারি জমিতে মেসি ও মারাদোনার মূর্তি হয়েছে কিনা রিপোর্ট তলব কলকাতা হাইকোর্টের। দমদম পুরসভা এবং রাজ্যকে এ বিষয়ে রিপোর্ট জমা করতে হবে। ৩ সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে হবে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথী সেনের ডিভিশন বেঞ্চে।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের ১১ ডিসেম্বর কলকাতায় ১২ ফুটের ব্রোঞ্জের মারাদোনার মূর্তির উদ্বোধন করা হয়েছিল। কলকাতার লেকটাউনের শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাব প্রাঙ্গণে এই মূর্তিটি তৈরি হয়। কাট টু ২০২৫! মেসির মূর্তি!

এর আগে যুবভারতী মামলায় কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি পার্থসারথী সেন প্রশ্ন তুলেছিলেন, সুজিত বসু যে মূর্তি করেছেন, সেটা কি সরকারি জমিতে ? না ব্যক্তিগত জমিতে বসানো হয়েছে? সরকারি জমিতে এভাবে ব্যক্তিগতভাবে কিছু বসানো যায়? পাল্টা রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবী আদালতে জানান, ৬৫ কোটি টাকা আগেই দেওয়া হয়েছিল। তখন বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন. “এত টাকা কীভাবে দেওয়া হয়? কারা আগের ডিরেক্টর ছিলেন? টেন্ডার কি দেওয়া হয়েছিল?” আর এ ক্ষেত্রেই উঠে আসে মানি ট্রেলের প্রসঙ্গ।

শুভেন্দুর আইনজীবী সে সময়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “রাস্তার ধারে মূর্তি বানানো হয়েছে। শাসকদলের নেতা সেই মূর্তি বানালেন কীভাবে?” হাইকোর্ট এদিন স্পষ্ট করে দেয়, সরকারি জমিতে মেসি ও মারাদোনার মূর্তি হয়েছে কিনা রিপোর্ট তলব কলকাতা কোর্টের। দমদম পুরসভা এবং রাজ্যকে এ বিষয়ে রিপোর্ট জমা করতে হবে।