Calcutta High Court: কেন্দ্রীয় বাহিনীতে চাকরির স্বপ্ন দেখেন, ডান হাতে ট্যাটু নিয়ে কী বলল হাইকোর্ট?

Tattoos are restricted in CAPF: পরীক্ষার্থীর আইনজীবী আদালতের কাছে অনুরোধ করেন, শুধু মা লেখা ছিল তাঁর মক্কেলের হাতে। আর ভুল তো মানুষমাত্রই হয়। তাঁকে আর একবার সুযোগ দেওয়া হোক। যুবকের আইনজীবী আরও বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীর চাকরিতে এটাই শেষ সুযোগ তাঁর মক্কেলের।

Calcutta High Court: কেন্দ্রীয় বাহিনীতে চাকরির স্বপ্ন দেখেন, ডান হাতে ট্যাটু নিয়ে কী বলল হাইকোর্ট?
ডান হাতে ট্যাটু থাকলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর চাকরিতে অযোগ্য

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Jan 21, 2026 | 5:33 PM

কলকাতা: স্বপ্ন দেখেন কেন্দ্রীয় বাহিনীতে চাকরি করবেন। সেই মতো প্রস্তুতিও নিয়েছেন। আবার ডান হাতে ট্যাটু করিয়েছেন। তাহলে সাবধান। কারণ, এই ট্যাটুর জেরেই কেন্দ্রীয় বাহিনীতে যোগদানের পরীক্ষা থেকে ছিটকে গেলেন এক যুবক। এমনকি আদালতও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সিদ্ধান্ত বহাল রাখল। সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্সের ( CAPF) সিদ্ধান্তকেই বহাল রেখে যুবকের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। 

উত্তর ২৪ পরগনার কদম্বগাছির বাসিন্দা ওই CAPF-র কনস্টেবল পদে আবেদন করে পরীক্ষায় পাশ করেন। এর পর গত বছরের ২৯ নভেম্বর তাঁর মেডিক্যাল পরীক্ষা হয়। নিয়ম অনুসারে, ডান হাতে ট্যাটু থাকলে সেই পরীক্ষার্থীকে বাতিল করে বাহিনী। ফলে পরীক্ষায় ওই যুবককে আনফিট ঘোষনা করে বাহিনী। সিএপিএফের বক্তব্য, ডান হাতে স্যালুট করা হয়। সেই হাতে ট্যাটু থাকা চলবে না। তবে বাম হাতে ‘নিরীহ’ কোনও ট্যাটু থাকলে অসুবিধা নেই।

এর পর ওই যুবক পূনরায় তাঁর মেডিক্যাল পরীক্ষার রিভিউয়ের আবেদন করেন। ৪ ডিসেম্বর ওই পরীক্ষার আগে তিনি তাঁর হাত থেকে ট্যাটু মুছে ফেলেন। যদিও এবারও তাঁকে আনফিট ঘোষণা করা হয়। কারণ, থেরাপির মাধ্যমে হাতের ওই অংশে ট্যাটু মুছতে গিয়ে অনেকটা পোড়া দাগ হয়ে যায়। রিভিউ পরীক্ষার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন পরীক্ষার্থী।

বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ, ওই পরীক্ষার্থী প্রথমে ট্যাটু নিয়ে পরীক্ষায় বসেন। পরে মেডিক্যাল বোর্ডকে ভুল প্রমাণিত করতে ফের রিভিউ বোর্ড বসান। CAPF-র গাইডলাইনে ট্যাটু সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা আছে। এবং ট্যাটু উঠলেও পোড়া দাগ থেকেই যায়। তাই CAPF-র সিদ্ধান্তই বহাল থাকছে।

এদিন পরীক্ষার্থীর আইনজীবী আদালতের কাছে অনুরোধ করেন, শুধু মা লেখা ছিল তাঁর মক্কেলের হাতে। আর ভুল তো মানুষমাত্রই হয়। তাঁকে আর একবার সুযোগ দেওয়া হোক। যুবকের আইনজীবী আরও বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীর চাকরিতে এটাই শেষ সুযোগ তাঁর মক্কেলের। তখন বিচারপতি বলেন, “তিনি তাঁর নিজের কবর নিজেই খুঁড়েছেন। আমি যদি এখন বিষয়টি শিথিল করি, তাহলে এই ধরনের অন্য মামলাতেও তা শিথিল করতে হবে।” এদিন CAPF-র আইনজীবী স্মরজিত রায়চৌধুরী আদালতে জানান, নিয়ম শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার কারণে ট্যাটু বিএসএফ কিংবা CAPF-সহ বিভিন্ন ফোর্সে চাকরিতে অনুমোদন পায় না।